শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ও ধসের পর দেশের পুঁজিবাজারে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তবে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে পতনের পুঁজিবাজারে বীমা খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়লেও ব্যাংক খাতের শেয়ারে বিপরীত চিত্র। মুলত ভালো মৌল ভিত্তি শেয়ারে ভর করে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার আভাস দিচ্ছে।

এক্ষেত্রে লভ্যাংশ ও মুনাফার ইতিবাচক প্রভাবে হঠাৎ বীমা খাতের শেয়ারে আগ্রহ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের।
ফলে সামগ্রিক নেতিবাচক প্রবণতার মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিলো বীমা খাতের শেয়ার। তবে বীমা খাতের শেয়ারের দর বাড়লেও অধিকাংশ ব্যাংক খাতের শেয়ারের দরপতন হয়েছে। তাছাড়া গত কয়েক দিন ধরে ব্যাংক খাতের শেয়ারের টানা দরপতন হচ্ছে।

এ অবস্থায় ব্যাংক খাতের শেয়ারে আস্থা নেই বিনিয়োগকারীদের। তবে বীমা খাতের চার কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা না থাকায় সেগুলো বিক্রেতা শুন্য হয়ে যায়। বিক্রেতা শুন্য হওয়া চার বীমা কোম্পানি হলো: প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স।

এর মধ্যে বীমা খাতের সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের। কোম্পানিটির শেয়ার ৩ টাকা ৯০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ৪২ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। এদিন এর লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি। সব্বোর্চ দরবৃদ্ধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স।

এর শেয়ারের দর ৪ টাকা ৫০ পয়সা বা ৯.৯৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৯ টাকা ৬০ পয়সায়। দিনশেষে কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকার বেশি। অন্যদিকে, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের দর বেড়েছে ৯.৯৭ শতাংশ, মেঘনা সিমেন্টের ৯.৯১ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯.৮৭ শতাংশ এবং জাহিন টেক্সের ৯.৫২ শতাংশ।

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৩১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৮৬ পয়েন্টে।