শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: দেশের পুঁজিবাজারে টানা দরপতনে ফের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে বাজারে একটু সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মিললেও পরক্ষণেই আবার দরপতন হচ্ছে। ফলে পুঁজিবাজারে ফের অস্থিরতা নেমেছে ডিএসইর অযাচিত হস্তক্ষেপ ও মার্জিন ঋনের কড়াকড়ি আরোপের ইস্যু।

তবে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) দিনের বেশিরভাগ সময় সূচক ইতিবাচক প্রবণতায় থাকলেও শেষ ঘণ্টায় বড় ধরণের বিক্রির চাপে সূচকের পতন হয়েছে। যার ফলে লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রধান সূচক আজ প্রায় ১৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৯২ পয়েন্টে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএসইর অযাচিত হস্তক্ষেপ ও মার্জিন ঋন ইস্যুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। ফলে বড় লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। এর ফলে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের সাথে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার পরিমানে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪৯২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৯১ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ১২৭ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৯ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৩ টির, দর কমেছে ১৮৯ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৪ টির।

ডিএসইতে ৭৩৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৬৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৬৭৪ কোটি ১৩ লাখ টাকার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৪১৫ পয়েন্টে। সিএসইতে ১৯৬ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭০ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৮৯ টির এবং ৩৭ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ২২ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।