শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুর্বল তিন ব্যাংক ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত ইস্যুতে সম্মত থাকলেও এক্সিম ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়েছে। মুলত এক্সিম ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক নিজেরাই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে তারা মনে করেন। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের শুনানি শেষে এ তথ্য জানান ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন।

তিনি বলেন, ব্যাংকের বর্তমান ঋণ স্থিতি ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১২ হাজার কোটি টাকাই নামে-বেনামে নিয়েছে এস আলম গ্রুপ। এর সবই এখন খেলাপি। এসব ঋণের বিপরীতে জামানত আছে ২৫ শতাংশের কম। সম্প্রতি একীভূত হতে সম্মতি দেয় ইউনিয়ন ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক।

ব্যাংক দুটি থেকে মোট ৬৬ হাজার কোটি টাকা লুট করেছে এস আলম গ্রুপ। এক্সিম ব্যাংক অবশ্য এখনই একীভূত হতে রাজি নয়। এর জন্য অন্তত দুই বছর সময় চেয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এ ব্যাংকটি থেকেও বিপুল অর্থ লুট করেছেন এর সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। ব্যাংক খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে দুর্বল পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে সপ্তাহব্যাপী শুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একীভূত প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি ব্যাংকের সম্মিলিত মূলধন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ব্যাংকগুলোকে একীভূত করতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারের সম্মতি পেলে এতে অর্থায়ন করবে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান। একীভূত হওয়ার পর পাঁচ ব্যাংকের নাম হতে পারে ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক বা আল ফাতাহ ব্যাংক।