শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের বড় উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। মুলত ব্যাংক ও বিমা খাতের শেয়ারে ভর করে সূচকের উত্থান হয়েছে। তবে সূচকের বড় উত্থান হলেও লেনদেন কিছুটা কমেছে। তবে প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষ হওয়ার পর বেশি কিছু কোম্পানির শেয়ার দাম কমে যায়।

এ পর্যায়ে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাতে থাকে ব্যাংক ও বিমা খাতের কোম্পানিগুলো। যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সবকটি মূল্য সূচক বাড়ার পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার ১৭৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তবে গত তিন কার্যদিবস পতনের পর গত দুই কার্যদিবস সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জও (সিএসই) বেশিরভাগ ব্যাংক ও বিমা খাতের কোম্পানির দর বেড়েছে । সেই সঙ্গে অন্যান্য খাতেরও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে বেড়েছে মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। তবে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কমেছে টাকার পরিমানে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

একাধিক বিনিয়োগকারী সাথে আলাপকালে বলেন, পুঁজিবাজার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটছে। আমরা চাই একটি স্থিতিশীল পুঁজিবাজার। আমরা একটানা সূচকের উত্থান চাই না, তেমনি একটানা সূচকের পতনও চাই না। তাই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে স্থিতিশীল ও টেকসই পুঁজিবাজারের দাবী। এছাড়া বাজারের এই ধারা বজায় থাকলে শিগগিরই প্রাতিষ্ঠানিক ও নতুন বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে তারা মনে করেন।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪৫৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১২৮ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৬ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৩৮ টির, দর কমেছে ১১৪ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৪ টির। ডিএসইতে ১ হাজার ১৭৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা কম। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২০০ কোটি ২৬ লাখ টাকার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৯১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। সিএসইতে ২৩৪ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১৪৭ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৫৮ টির এবং ২৯ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ৫০ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।