ব্যাংক ও বস্ত্র খাতে ভর করে পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান, স্থিতিশীল বাজারের দাবী
শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের বড় উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। মুলত এদিন ব্যাংক ও বস্ত্র খাতের দাপটে সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। ফলে টানা ৭ কার্যদিবস দরপতনের পর দুই কার্যদিবস সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে।
এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) মূল্যসূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। তেমনি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও টাকার পরিমানে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ ব্যাংক ও বস্ত্র খাতের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ ব্যাংক ও বস্ত্র খাতের শেয়ারের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতের ওপরও। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
একাধিক বিনিয়োগকারীর সাথে আলাপকালে বলেন, বাজার ঘুরে ফিরে সব সেক্টরে মুভমেন্ট করছে। এটা বাজারের জন্য ইতিবাচক দিক। এছাড়া টানা সাত কার্যদিবস পতনের পর ধারাবাহিক দুই দিন উত্থান বিনিয়োগকারীদের মাঝে নতুন করে আশার আলো দেখছে। যদি বাজারের এ ধারা অব্যাহত থাকে তবে সামনের দিনগুলোতে বাজার আরও স্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৫১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪০১ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭২ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ২২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৯৫পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৮ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২০৫ টির, দর কমেছে ১৩৫ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮ টির। ডিএসইতে ৮০১ কোটি ৭১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৯৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৭০৩ কোটি ২ লাখ টাকার ।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯৫ পয়েন্টে। সিএসইতে ১৭৩ টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ৮৮ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬৪ টির এবং ২১ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

