শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: টানা আট কার্যদিবস উত্থানের পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) গত দুই কার্যদিবস সূচকের কিছুটা দরপতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে সূচকের পতন হলেও বাজার নিয়ে ভয়ের কিছু নেই বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া টানা উত্থানের পর কারেকশন পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার আভাস বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে বেশিরভাগ ব্যাংক ও আর্থিক কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ায় কয়েকদিন দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান দেখা যায়। এবার সেই ব্যাংক ও আর্থিক কোম্পানির শেয়ারের দরপতন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যার প্রভাবে সার্বিক পুঁজিবাজারেও পতন প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারী কাজী হোসাইন আলীর মতে, টানা কয়েকদিনের সূচকের উত্থানের পর বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ স্বাভাবিকভাবেই মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। এটি বাজারের জন্য অস্বাভাবিক নয়। বরং মাঝে মধ্যে এমন মুনাফা গ্রহণ বাজারকে সুস্থ রাখে এবং অতিরিক্ত চাপে পতনের সম্ভাবনা হ্রাস করে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে বাজারে এখনো ইতিবাচক মনোভাব বিরাজ করছে। বিশেষ করে মৌলভিত্তির খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ায় সামনের দিনগুলোতে সূচক আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।

জানা গেছে, সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও টাকার পরিমানে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩৩২ পয়েন্টে।

আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৫৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ৬১ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৭ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৯ টির, দর কমেছে ২৩০ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮ টির। ডিএসইতে ৮০৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৫৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা কম। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮৬৫ কোটি ৪ লাখ টাকার ।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৯২৪ পয়েন্টে। সিএসইতে ২২৬ টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৭ টির দর বেড়েছে, কমেছে ১০৭ টির এবং ৩২ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।