Deshprothikhon-adv

নতুন শেয়ারের দাম প্রথম দিন দিগুন তিনগুন বাড়ার কারন!

0

share lago নতুন শেয়ারে মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একটা কোটা থাকে।মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কখনো লসে শেয়ার সেল করে না। বরং কিভাবে প্রফিট ম্যাক্সিমাইজ করা যায় সেই প্লান করতে পটু। এবার আসল কথাটা বলি।

ধরুন মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ইভিন্স টেক্সটাইল এর ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) শেয়ার আছে ১০ টাকা ফেস ভালু তে। প্রথম দিন ট্রেড শুরু হবার সাথে সাথে মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ৩০ টাকা থেকে শেয়ারটি কেনা শুরু করল। তারা শেয়ারটি ৩০ টাকা থেকে ৩৭ টাকা করে ফেললো।

টাকা নিতে তারা ২ লক্ষ শেয়ার কিনল। ৩৭ টাকায় নিয়ে তারা প্রায় ৩ লক্ষ্য শেয়ার পড়ফব পযধহমব করে লেনদেনের সংখ্যা বাড়িয়ে দিল । এর পর তারা তাদের হাতে থাকা শেয়ার গুলো আস্তে আস্তে ২৭-৩০ টাকার মধ্যে ংবষষ বসাতে শুরু করলো।

এমনেতেই নুতন শেয়ারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি থাকে তার পর যখন তারা দেখে লেনদেন অনেক হয়ে গেছে তখন তারা হুমড়ি খেয়ে পড়ে শেয়ার কেনের জন্য। তারা ভাবে, না জানি শেয়ার ৩০ টাকা অতিক্রম করলেই ৪০ টাকা হয়ে যাবে।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এই দুর্বলতা কে কাজে লাগিয়ে মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা তাদের হাতে থাকা শেয়ারের একটি বড় সংখ্যার শেয়ার বিক্রি করে দিল। দিন শেষে আমরা সাধারন বিনিয়োগকারীরা ভাবছি এত শেয়ার ট্রেড হল নিশ্চয় গেম হবে।

কিন্তু অতিত বলে প্রথম দিন ট্রেড হওয়া হাই ভলিওমের অনেক শেয়ার প্রথম দিনের দামে আর কখনও যায়নি। সেকেন্ড ডে, থার্ড ডে তে আমরা ভাবতে থাকি হাই দামে এত শেয়ার যারা কিনল তারা সবাই ধরা আছে । এটা অবশ্যই দাম বাড়বে। কিন্তু তা হয় না। আমাদের হিসাব ও মেলে না। তবে কি এবার মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী রাও ধরা?

রেজাল্টঃ প্রথম দিনঃ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ২ লক্ষ শেয়ার কিনলো ৩ লক্ষ code chang করলো আর sell করলো ৩ লক্ষ্।

দ্বিতীয় দিনঃ প্রথম দিন যেহেতু তারা শেয়ারটির একটি রেটে দাড় করিয়ে দিতে পারলো এতেই তারা মোটামটি সফল। দ্বিতীয় দিন থেকে তারা কিছু কিছু করে শেয়ার কিনলো কিন্তু যা তারা কিনলো তার চেয়ে নুনতম ৩০% শেয়ার বেশি বিক্রি করলো।

এভাবেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা চেষ্টা করলো যেন তারা ২০ টাকার মধ্যেই তাদের হাতের শেয়ার গুলো বিক্রি করে দিতে পারে। কারন মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যদি ২০ টাকার মধ্যেও তাদের শেয়ার গুলো খালি করতে পারে তাহলেও তাদের ১০০% এর উপর Profit  থাকে

আর আমরা সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রথম দিন যে বড় ধরনের লেনদেন হল তার হিসাব কষতেই ব্যস্ত থাকি। মনের ভিতর শুধু বার বার একটিই প্রশ্ন ঘুর পাক খেতে থাকে। প্রথম দিন এতো শেয়ার কারা কিনল। কারা কিনল এতো শেয়ার।

তানভীর আহম্মেদ

বিনিয়োগকারী

Comments are closed.