Deshprothikhon-adv

ডিভিডেন্ডের চমকে বিএটিবিসির দর বেড়েছে ২৭ শতাংশ

0

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম. ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড (বিএটিবিসি)-এর শেয়ারদর বেড়েছে পাঁচ কার্যদিবসে ২৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ফলে বিদায়ী সপ্তাহে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে আসে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ৫২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০০ টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ হয়েছে ১৮২ কোটি ৬৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরে ৫০০ শতাংশ নগদ ও ২০০ শতাংশ বোনাসসহ সর্বমোট ৭০০ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৪৮০ কোটি টাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের অনুমতিক্রমে ৪৮০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেলে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি থেকে ৫৪০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে।

এদিকে আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬৬ টাকা ৮৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪৯২ টাকা ১৫ পয়সা। অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধি ও ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ এপ্রিল।

সপ্তাহের শেষ দিনে কোম্পানিটির শেয়ারদর চার দশমিক ৬৩ শতাংশ বা ২১০ টাকা ৬০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ চার হাজার ৭৬০ টাকায় হাতবদল হয়, যার মোট মূল্য ছিল ৫৩ কোটি ৬৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। শেয়ারটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৭৭৬ টাকা ৭০ পয়সায়। ওইদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বনিম্ন চার হাজার ৫৩৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ চার হাজার ৭৭৬ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। আর গত এক বছরে শেয়ারটির দর তিন হাজার ১৬০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকায় ওঠানামা করে।

‘এ’ ক্যাটেগরির ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির ৬০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ দুই হাজার ২৫১ কোটি ২৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট ছয় কোটি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকের কাছে ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ, সরকারের কাছে শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক এক শতাংশ এবং শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

Comments are closed.