চার ইস্যুতে পুঁজিবাজারে টানা রক্তক্ষরণ!

   অক্টোবর ২৩, ২০১৮

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার স্বার্থে সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পরও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। ফলে সকলের মাঝে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাছাড়া বর্তমান বাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ থাকলেও প্রায় প্রতিদিনই নিম্নমুখী হচ্ছে বাজার। সেই সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই কমছে বাজার মূলধন।

বিষয়টি যেমন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভাবিয়ে তুলছে, ঠিক তেমনি বাজার সংশ্লিষ্টদের কাছে এর প্রকৃত কারণ অজানাই রয়ে গেছে। আর এ কারনে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে বাজারের ভারসাম্য ধরে রাখতে ইনভেষ্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) কয়েকটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ছাড়া বাকিগুলো পুরোপুরি নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

এছাড়া নির্বাচনী ইস্যু কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় দরপতনের মুখে পড়েছে পুঁজিবাজার। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবস বড় ধরনের দরপতনে বিপর্যয়ে পড়েছে বাজার দুটি। এ দুই দিন কেবল ডিএসইতে ৫০ ও ৭৯ পয়েন্ট করে সূচক পতন হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, সামনের দিনগুলোতে আরো বড় ধরনের দরপতন হবে। এই শঙ্কায় শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

তেমনি পোর্টফলিও ম্যানেজারসহ বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী বর্তমানে সাইডলাইনে থেকে বাজার পর্যবেক্ষণে বেশি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অতীত থেকে শিক্ষা নেয়া, বিনিয়োগকৃত অর্থের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না পাওয়ায় নতুন করে বিনিয়োগে আসছেন না বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী। এছাড়া রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত অনেকে মার্জিন লোন নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না। পরিণতিতে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে না।

তবে পুঁজিবাজারের হঠাৎ এ দরপতকে সরলভাবে নিতে পারছেন না দক্ষ বিনিয়োগকারীরা। তাদের দাবি, পুঁজিবাজারের এ দরপতনের পেছনে আবারও কোনো কারসাজি চক্র সক্রিয়, নাকি নির্বাচন ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিএনপি জামায়াত পুঁজিবাজারকে অস্থিতিশীল করতে চায় তা দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে খতিয়ে দেখতে হবে। তা না হলে বিনিয়োগকারীরা আবারও বড় লোকসানের মুখে পড়বেন।

পুঁজিবাজার হঠাৎ দরপতন হওয়ার পেছনে প্রধানত চার কারণ বিদ্যমান বলে দৈনিক দেশ প্রতিক্ষণ ও দেশ প্রতিক্ষণ ডটকমের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ এবং বড় ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কথায় এ চারটি কারণ উঠে এসেছে।

প্রথমত, নির্বাচন সামনে রেখে পুঁজিবাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে কোনো কোনো মহল। তারা বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকতে বা বিনিয়োগ উঠিয়ে ফেলার জন্য গুজব ছড়াচ্ছে যে, সামনে শেয়ারের দাম আরও কমবে। এগুজবের সাথে ডিএসই বড় বড় ব্রোকারেজ হাউজ জড়িত। এরা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পুঁজিবাজার ইস্যুতে নানা ষড়যন্ত্র করছে। এ ব্যাপারে বিএসইসি’র সজাগ থাকা উচিত। তা না হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বিনিয়োগকারীরা।

দ্বিতীয়ত, গত ১৩ অক্টোবর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশের পর থেকে পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এরপর উভয় বাজারে মোট সাত কার্যদিবস (চার কার্যদিবস দরপতন আর তিনদিন সূচক সামান্য বেড়েছে) লেনদেন হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। সাতদিনে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচঞ্জের (ডিএসইর) বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়েছেন ১০ হাজার ৭০৩ কোটি ৯৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।

আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) থেকে হারিয়েছে ১১ হাজার ৩১৯ কোটি ৬৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা। অন্যদিকে ব্যাক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব খাতের শেয়ারের দাম কমায় ডিএসইতে সূচক কমেছে ১৮৩ পয়েন্ট। এর মধ্যে রবি ও সোমবার সূচক কমেছে ১২৯ পয়েন্ট। অপর বাজার সিএসইতে কমেছে ২২১ পয়েন্ট। এছাড়াও লেনদেন কমে অর্ধেক হয়েছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউজগুলোও লোকসানে পড়ছে।

তৃতীয়ত, সার্বিকভাবে দেশ উন্নয়নে দিকে এগিয়ে যাচেছ। গত কয়েক বছরে সব সূচকের উন্নতির সঙ্গে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) দ্বিগুণ হয়েছে। বেড়েছ মোট জাতীয় আয়ও (জিএনআই)। তবে জিডিপির উন্নয়নের সঙ্গে সমানতালে এগোয়নি পুঁজিবাজার। অর্থনীতির আকার বাড়লেও অনেকটা পেছন পানে হাঁটছে ২৬ লাখের বেশি বিনিয়োগকারীর পুঁজিবাজার।

অনেকে পুঁজিবাজার থেকে মুখও ফিরিয়ে নিচ্ছে। অনেক সময় শেয়ারবাজার ইতিবাচক ধারায় ফেরার চেষ্টা করলে এই বিনিয়োগকারীরা ফিরে এসে কয়েক দিনের মধ্যে আবার হতাশ হয়ে ফিরে যায়। এই আস্থার অভাবেই পুঁজিবাজার অস্থিরতার নেপথ্যে কারন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

চতুর্থত, জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ ঘোষণার মৌসুমে ইভেন্স টেক্সটাইল নো ডিভিডেন্ড ঘোষনার পর পুঁজিবাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। লভ্যাংশ ঘোষণার বড় মৌসুমেও পুঁজিবাজারের লেনদেন ও সূচকে মারাত্মক অধোগতি চলছে। অব্যাহত দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট চলছে। কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই বাজারের নেতিবাচক আচরণে বিস্মিত নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কর্মকর্তারাও। এমন পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিক বাজার পতনের কারণ অনুসন্ধান ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সরকারের তিন সংস্থার দ্রুত সমন্বয় প্রয়োজন।

বাজার বিশ্লেষকরা বলেছেন, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে হলে তারল্য প্রয়োজন। তারল্য সংকট দুর করতে হবে। বর্তমান বাজারে তারল্য সংকট বিরাজ করছে। পুঁজিবাজারে আইসিবির ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করলে কিছুটা হলে তারল্য সংকট দুর হবে। এছাড়া বর্তমান উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হলে পুঁজিবাজার উপকৃত হবে। এর সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যরা চীনা কনসোর্টিয়াম থেকে পাওয়া অর্থও পুঁজিবাজারে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিনিয়োগ করলে বাজার আরো স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।

বাজারে এই অবস্থায় দরকার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মার্কেট সাপোর্ট। কিন্তু তারা হাত গুটিয়ে বসে আছে বলে মনে করেন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট মোস্তাক আহমেদ সাদিক। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভয় ঢুকেছে। অথচ এই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মার্কেট সার্পোট না থাকায় আরামে দরপতন হচ্ছে!

ডিএসইর পরিচালক মো. রকিবুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না করায় পুঁজিবাজারে বারবার রক্তক্ষরণ ঘটছে। তাই এসব বিষয়ে বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাতে কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছি। বিএসইসি চেয়ারম্যান এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। তাছাড়া বেশকিছু বোকার্স, ডিলারস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের আচরণ আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে আমরা কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছি। আমাদের পক্ষ থেকেও এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি চীনের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা দিয়েছে। শেয়ারহোল্ডার হিসাবে আমরা এখনও এ টাকা হাতে পাইনি। সরকার ক্যাপিটাল গেইনের ওপর পাঁচ শতাংশ কর ধার্য করেছে এবং শর্ত দিয়েছে পুঁজিবাজারে ওই টাকা তিন বছরে বিনিয়োগ করতে হবে। এতে আমরা সবাই একমত হয়েছি। কিন্তু এ টাকা পেতে একটু দেরি হচ্ছে। আমি এনবি আরের উদ্দেশ্যে বলব তারা যত তাড়াতাড়ি আমাদের টাকা দেবে, আমরা তত তাড়াতাড়ি সেই টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারব। বর্তমানে পুঁজিবাজারে এ টাকা বিনিয়োগ করলে তারল্য সংকট কিছুটা কমবে এবং বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারের প্রতি আগ্রহী হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারকে কার্যকর করতে কিংবা যথাযথভাবে গড়তে নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করতে হবে। মৌল ভিত্তির কোম্পানি বাজারে এলে বিনিয়োগকারীও আকৃষ্ট হবে। গতিশীল ও কার্যকর বাজার গড়ে তুলতে কোম্পানির সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। যদিও একটি তালিকাভুক্তিতে অনেক সময় ও জটিলতা রয়েছে। বাজারে বহুজাতিক ও সরকারি কোম্পানি আনা খুব জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সবকিছু পজেটিভ থাকলেও হঠাৎ করে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় এখন পুঁজিবাজারে দরপতন হচ্ছে। বিনিয়োগাকীদের মধ্যে এখন একটাই শঙ্কা, সূষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তো? এই ভয়ে তারা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ড. মিজানুর রহমান বলেন, নতুন করে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট না বাড়ায় ব্যাংক ও অর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তারল্য সংকটে পড়েছে। এর প্রভাব পুঁজিবাজারেও পড়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
-

পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখতে অর্থমন্ত্রীর নতুন উদ্যোগ!

shareadmin  আগস্ট ২৪, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে ক্রমাগত দরপতন ঠেকিয়ে বাজার চাঙ্গা করার নতুন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার।এবিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে অর্থমন্ত্রী...

বিএসইসির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ

shareadmin  আগস্ট ২০, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেনের বিরুদ্ধে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও...

ঈদ পরবর্তী পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার পুর্বাভাস,বাড়বে লেনদেন!

shareadmin  আগস্ট ১০, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: ঈদ পরবর্তী পুঁজিবাজার চাঙ্গাভাবের পুর্বাভাস দেখা গেছে। গত কয়েক কার্যদিবস পুঁজিবাজারে সুচকের উঠানামার মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ...

পুঁজিবাজার অস্থিতিশীলতার নেপথ্যে ১৩ বিনিয়োগকারী ও ৪ কোম্পানিকে বিএসইসিতে তলব

shareadmin  আগস্ট ৭, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক টানা দরপতনে বিএসইসি সহ সরকারের নীতি নির্ধারকদের মাঝে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। সরকারের...

আস্থা সংকট পুঁজিবাজারে উদাও ২০০০ কোটি টাকা!

shareadmin  আগস্ট ৫, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: ২০১০ সালে ধসের নয় বছর পরও বিনিয়োগকারীর কাছে এখনো আস্থাহীন দেশের শেয়ারবাজার। এখনো এটি পুঁজি হারানোর বাজার।...

ঝুঁকিপূর্ণ কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ: লেনদেনের শুরুতে ইপিএস ধ্বস

shareadmin  আগস্ট ৪, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: বিতর্কিত কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু আগামী ৫ আগস্ট থেকে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) প্রায় সব প্রক্রিয়া...

মুন্নু গ্রুপের শেয়ার কারসাজির হোতা শীর্ষ দুই ব্রোকারেজ হাউজ!

shareadmin  আগস্ট ৩, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: নতুন সরকার গঠনের সাত পেরিয়ে গেলেও পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। একদিন বাজার ভাল গেলে পরের দিনই...

পুঁজিবাজার পরিচালনায় স্টক এক্সচেঞ্জ ব্যর্থঃ হেলাল উদ্দিন নিজামী

shareadmin  জুলাই ৩১, ২০১৯

আবদুর রাজ্জাক, শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনার প্রফেসর হেলাল উদ্দিন বলেন, বিএসইসির...

কপারটেকের চাপের মুখে ডিএসইর নতি স্বীকার!

shareadmin  জুলাই ৩০, ২০১৯

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: আইনগতভাবে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে তালিকাভুক্ত করার সুযোগ নেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)। তাই শর্তসাপেক্ষে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন...