Deshprothikhon-adv

৩৭ কোম্পানির পরিচালকদের শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা !

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৭ কোম্পানি রয়েছে যেগুলোতে পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে শেয়ার ধারণের পরিমাণ ৩০ শতাংশের নিচে রয়েছে। এসব কোম্পানির ক্ষেত্রে মূলধন বাড়ানোর জন্য কোনো রাইট শেয়ার কিংবা রিপিট পাবলিক অফার (আরপিও) ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এর মধ্যে নতুন করে আরেকটি নির্দেশনা জারি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তা হলো: সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশের নিচে অবস্থান করা পরিচালকরা ব্লক মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করতে পারবে না। স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে এসব কোম্পানির পরিচালকদের শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। তবে নিজেদের মধ্যে শেয়ার ট্রান্সফারের সুযোগ রাখা হবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর বিএসইসি প্রতিটি কোম্পানির পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ এবং এককভাবে দুই শতাংশ শেয়ার ধারণে বাধ্যবাধকতা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেদিন থেকে এখন পর্যন্ত ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হয়েছে ৩৭ কোম্পানি।

ডিএসই থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, তালিকাভুক্ত ৩৭ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ ৩০ শতাংশের নিচে রয়েছে। এর মধ্যে ফাইন ফুডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১.০৭ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া ইনটেক লিমিটেডের ৪.৭৭ শতাংশ শেয়ার, ফুয়াং ফুডসের  ৪.৭৬ শতাংশ শেয়ার, ইউনাইটেড এয়ারের ৪.১৬ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংকের ৬.৫৭ শতাংশ শেয়ার, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের ৯.৪০ শতাংশ শেয়ার, অগ্নি সিস্টেমসের  ১১.৪০ শতাংশ শেয়ার, একটিভ ফাইন কেমিক্যালের ১২.০২ শতাংশ শেয়ার, উত্তরা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১২.৫৮ শতাংশ শেয়ার,

বেক্সিমকো ফার্মার ১৩.১৮ শতাংশ শেয়ার, জেনারেশন নেক্সটের ১৩.৮২ শতাংশ শেয়ার, বিজিআইসির ১৬.১৬ শতাংশ শেয়ার, পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ২০.৯৬ শতাংশ শেয়ার, ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক লিমিটেডের ২১.৬৫ শতাংশ, ফুওয়াং সিরামিকসের ৫.৩৩ শতাংশ, আফতাব অটোসের ২৮.৪২ শতাংশ, এপেক্স ফুটওয়ারের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯.৪২ শতাংশ, অ্যাপোলো ইস্পাতের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২১.১৯ শতাংশ, বারাকা পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯.৯১ শতাংশ, বিডিকম অনলাইন বিডি পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৩.১০ শতাংশ, বিডি ফাইন্যান্সের ২৫.১৭ শতাংশ, বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২০.১৫ শতাংশ,

কনফিডেন্স সিমেন্টের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৫.৫০ শতাংশ, ডেল্টা স্পিনিংয়ের ১৯ শতাংশ, দুলামিয়া কটনের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২১.০৪ শতাংশ, কর্নফুলি ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৫.৭২ শতাংশ, কে অ্যান্ড কিউয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৪.০৬ শতাংশ, ম্যাকসন স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৪.৪৬ শতাংশ।

এছাড়া মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৮.৪৩ শতাংশ, মেট্রো স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৪.৫২ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৭.৯৫ শতাংশ, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৯২ শতাংশ, ফার্মা এইডসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৪৪ শতাংশ, পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৮৯ শতাংশ,

আরডি ফুডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.৫৬ শতাংশ, সালভো কেমিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২২.১৪ শতাংশ এবং তাল্লু স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৯.০৪ শতাংশ।

Comments are closed.