Deshprothikhon-adv

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ ডিএসই ও সিএসই!

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জোটবদ্ধ ভাবে কজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেছে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ। সোমবারচট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) নব-নিযুক্ত চেয়ারম্যান ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এর নেতৃত্বে ৬ (ছয়) সদস্যের প্রতিনিধিদল আজ ১০ এপ্রিল ডিএসই’র চেয়ারম্যান ড. আবুল হাশেম এর সভাপতিত্বে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সাথে বৈঠক করেন।

বৈঠকে ডিএসই’র চেয়ারম্যান ড. আবুল হাশেম সিএসই’র চেয়ারম্যান ও তার পরিচালনা পর্ষদকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিগত দিনগুলোতে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে একসাথে কাজ করেছে। যার ফলে পুঁজিবাজার আজকের এই গৌরবময় অবস্থানে পৌঁছেছে। দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেরই উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন আর তাহলো পুঁজিবাজার উন্নয়ন। পুঁজিবাজার তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে যে কোন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড যৌথভাবে প্রস্তাবনা দেয়া হলে তার গুরুত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পায় এবং বাস্তবায়নের গতিও বৃদ্ধি পায়। এতে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মতিন পাটওয়ারী আগামী তিন অর্থবছরের জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের শতভাগ কর মওকুফ সুবিধা; উভয় এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি থেকে এককালীন মূলধনী আয়ের উপর কর অবকাশ সুবিধা; তালিকাভুক্ত কোম্পানি থেকে তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির কর্পোরেট করহারের ব্যবধান কমপক্ষে আরো ১০ শতাংশে বৃদ্ধি করা;

নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য কমপক্ষে ৩ বছর কর অবকাশ সুবিধা; ৫৩ বিবিবি ধারায় করহার শতকরা ০.০৫ থেকে কমিয়ে ০.০১৫ করা; করমুক্ত লভ্যাংশ আয় ২৫০০০ টাকা থেকে ১০০,০০০ টাকায় উন্নীত করা; সরকারী কোম্পানি এবং আরও অধিক সংখ্যক ভালো কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার উদ্যোগ; ট্রেডিং এর সময় বৃদ্ধিকরণ; স্বল্প মূলধনী বোর্ড চালুকরণসহ বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. সাইফুর রহমান মজুমদার পুঁজিবাজার তথা সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে দেশীয় শিল্প রক্ষা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রক্ষা, আগামী জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত দিক নির্দেশনার উপস্থিতি এবং স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন ইত্যাদি।

এছাড়াও যৌথভাবে ট্রেডিং সফটওয়্যার তৈরি, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আর্থিক প্রণোদনা প্রদান, সামগ্রিক বাজার উন্নয়নে পণ্যের বৈচিত্র্যতা আনয়নের মাধ্যমে বাজারকে গতিশীল করা, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নতুন শাখা খোলার অনুমোদন, ডে-ট্রেডিং এবং বাজার উন্নয়নের কাজ করার জন্য উভয় এক্সচেঞ্জের সমন্বয় যৌথ কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সিএসই’র চেয়ারম্যান ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বর্তমানে দেশে উন্নয়নের মহোৎসব চলছে এবং সেই প্রেক্ষাপটে পুঁজিবাজারের প্রসারতা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সকলের সহযোগিতায় পুঁজিবাজারের উন্নয়নের এই সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিএসই’র প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শামিম চৌধুরী, এনডব্লিওসি, পিএসসি (অবঃ), অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, এফসিএমএ, মেজর (অবঃ) এমদাদুল ইসলাম এবং ডিএসই’র পক্ষে পরিচালক বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মনোয়ারা হাকিম আলী, ওয়ালিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোঃ এম কায়কোবাদ, অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদুর রহমান, মোঃ রকিবুর রহমান, মোঃ শাকিল রিজভী, জনাব শরীফ আতাউর রহমান ও মোঃ হানিফ ভূইয়া।

Comments are closed.