Deshprothikhon-adv

বিক্রি কি হচ্ছে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক!

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

icb islami bankমোবারক হোসেন, শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি আইসিবি ইসলামি ব্যাংকে ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসছে এমন খবরে গত ২ দিন ধরে হল্টেড (বিক্রেতা শূণ্য) কোম্পানিটির শেয়ার। এছাড়া দেশের বৃহৎ একটি গ্রুপ কোম্পানি আইসিবি ইসলামি ব্যাংকে এ দায়িত্বে আসবে বলেও বিনিয়োগকারীদের মাঝে গুঞ্জন রয়েছে। বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের মাঝে এ গুঞ্জন দেখা গেছে।

এরকম গুঞ্জনে গত দু’দিন ধরে ব্যাংক সেক্টর ছিলো চাঙ্গা তার ওপর একটি গুজব এই খাতের সর্বনিন্ম মূল্যধারী কোম্পানি আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার বিক্রেতাদের শেয়ার উদাও হয়ে গেছে। গত সোমবার দুপুর নাগাদও এই কোম্পানির অনেক সেলার ছিলো।

সেদিন সাড়ে ১২টার দিকে সার্কিট ব্রেকার স্পর্ষ করা নাগাদ এক লাখের ওপর শেয়ার সেলে ছিলো। এরপর সেটিও উধাও হয়ে যায়। এবং দিনশেষে শেয়ার আর কেউ বিক্রি করেনি। অর্থাৎ দুপুরের পর থেকে লেনদেন শেষ অবধি এই কোম্পানি ছিলো হল্টেড। আজ মঙ্গলবারও প্রায় একই অবস্থা। ব্যাংকের শেয়ারটি বিক্রেতা উদাও।

র‌্যাপিড সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী কাসেম বলেন, তিনি আজ ১০ হাজার আইসিবি ইসলামি ব্যাংক কিনেছেন। কারণ, শোনা যাচ্ছে কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাংকটিকে একটি বড় গ্রুপ কিনে নিবে। উনি ওই গ্রুপটির নামও বলেছেন। কিন্তু এখানে প্রকাশ করা হলোনা। তাকে বলা হলো, যদি এই খবরটি গুজব হয় তখনতো আপনি লোকসানে পড়ে যাবেন।

রউফ বললেন, অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা এই ব্যাংকটিকে কেউ কিনে নিয়ে ভালো করবে নয়তো অন্য বড় ব্যাংকের সাথে মার্জ করবে। সেক্ষেত্রে এটির এখন ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশের সাথেই মার্জ হওয়ার সম্ভবনা সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই এটির দাম এখানে থাকবে না।

এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবি এটি কেনার ব্যাপারে গত বছর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে ব্যাংকটির দায়-দেনা ও ভবিষ্যৎ পর্যালোচনার পর। বর্তমানে ব্যাংকটির সিংহভাগ শেয়ারের মালিক (৫২ দশমিক ৭৬ শতাংশ) আইসিবি ফিন্যান্সিয়াল গ্রুপ হোল্ডিং সব শেয়ার বিক্রি করতে চায়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে গত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলের শেষ দিকে বড় ধরনের সংকটে পড়ে তৎকালীন ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক পরে এতে প্রশাসক বসায়। কিন্তু তারল্য-সংকটের কারণে ওই সময় ব্যাংকটি থেকে টাকা তুলতে পারছিলেন না আমানতকারীরা।

সরকার এরপর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে সাড়ে ছয় বছর সময় দিয়ে ২০০৭ সালে একটি স্কিম বা কর্মসূচি চালু করে। এরপর ব্যাংকটির বেশির ভাগ শেয়ার বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হলে তা কিনে নেয় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আইসিবি ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপ এজি। ২০০৮ সালে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সব সম্পত্তি ও দায় মাথায় নিয়ে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক নামে যাত্রা শুরু করে।

Comments are closed.