Deshprothikhon-adv

একজন বিনিয়োগকারীর শেয়ার ব্যবসায় ব্যর্থতার ১১ কারণ

0
Share on Facebook194Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

share-fell এস. এম. হোসেন, অতিথি লেখক, শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: আসলে অনেক বিনিয়োগকারীর এই আক্ষেপ যে তারা শেয়ার কিনলেই দাম কমে যায়। তারা বুক ভরা হতাশা নিয়ে কথাগুলো বলেন। কিন্তু আসলে তারা কি করেন? শেয়ারের দাম কমে যাওয়ার ব্যাপারটি কি সবার ক্ষেত্রে ঘটে নাকি কারো কারো ক্ষেত্রে। আসলে যারা সঠিক দামে শেয়ার কিনতে পারেন না তাদেরই কেনার পর দাম কমে যায়!

তাহলে শেয়ার ব্যবসায় সফলতা লাভের অন্তরায় কি? আসলে কিছু ভ্রান্ত ধারণাই সফলতার পেছনে পথ আগলে রাখে। কিছু বিষয় আজকে তুলে ধরব বিনিয়োগকারীরা এ বিষয়গুলো যদি মনে রাখনে তাহলে সফলতা লাভের পথে এগিয়ে যাবেন।

সকল পরিস্থিতিতে একই কৌশলকে বেদবাক্য মনে করা!
‘শেয়ারের সংখ্যা কম হলে দর বৃদ্ধি পাবে, বেশি হওয়ার কারণে দাম বাড়বে না, এজিএম এর সময় এসেছে তাই দাম বাড়বে। পঁচা শেয়ার বা ব্যবসায়িক অবস্থা যত বেশি খারাপ হওয়ার খবর প্রকাশিত হবে শেয়ারের দর তত বেশি বৃদ্ধি পাবে, বিক্রী না করে ধরে রাখলেই লাভ পাওয়া যাবে’- এ ধরনের বহুবিধ ধারণার কোনো একটিকে সকল সময়ের সকল পরিস্থিতিতে শেয়ারের দর হ্রাস বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান বা একমাত্র কারণ বা বিবেচ্য বিষয় মনে করে অনেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকেন।

প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো একক নির্দিষ্ট কারণ নেই যার ফলে সব সময়ে সব পরিস্থিতিতে যে কোনো শেয়ারের দর তাৎক্ষণিকভাবে হ্রাস বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে থাকে। অবশ্য এ যুক্তির কিছু বিরল ব্যতিক্রমও রয়েছে। এ অবস্থায় কোনো এক বিশেষ সময়ে বিশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনাপূর্বক ট্রেন্ড বা ফান্ডামেন্টাল বিশ্লেষণের আলোকে শেয়ার কেনা বেচা করা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

গড় করার ভ্রান্ত ধারণা
গড় করার ভ্রান্ত ধারণা শেয়ার বাজারে বহুল প্রচলিত। আপনি গড় করার জন্য যে দামে একটি শেয়ার ক্রয় করছেন ঐ কোম্পানির শেয়ারের দর যদি পরবর্তীতে আরও পড়ে যায় তাহলে বেশি দামে ক্রয় করে গড় করার অর্থ কি আর্থিক ক্ষতির সম্মখীন হওয়া নয়? একটি বিশেষ সময়ে ঐ শেয়ারটির সর্বনিম্ন বাজার দর কত হওয়া উচিত তা বিশ্লেষণে যদি আপনি দক্ষ হন তাহলেই গড় করার জন্য বিশেষ দরে ঐ শেয়ারটি ক্রয় করা যেতে পারে।

তবে এক্ষেত্রে গড় করার জন্য আপনি যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছেন, অন্য কোনো শেয়ারে ঐ পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে যদি আরও বেশি প্রাপ্তির সম্ভাবনা থাকে, তাহলে গড় করার ধারণা বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি সম্ভাবনাময় শেয়ারটিতে বিনিয়োগ করাই উত্তম। এভাবে ঝুঁকির মাত্রাকেও কমানো যায়। অবশ্য সুচিন্তিত বিশ্লেষণ ভিত্তিক গড় করার কৌশলটি শেয়ার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ কৌশল, বিশেষভাবে চাঙ্গা বাজারে ট্রেন্ড বিশ্লেষণভিত্তিক কেনা বেচার ক্ষেত্রে।

তাৎক্ষণিকভাবে ভুল সংশোধন না করা
১৯৯৬ ও ২০১০ সালের সেই অনাকাঙ্খিত এবং অস্বাভাবিক শেয়ারের দর বৃদ্ধির ঘটনা চিন্তা করুন। এক ব্যক্তি তার সারা জীবনের সঞ্চয় ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে শেয়ারবাজারে ঢুকেছিলেন এবং এর পরপরই শেয়ার বাজারে ধস নামে। পড়তি বাজারের শুরুতে লাখ তিনেক টাকা ক্ষতি স্বীকার করে নিয়ে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে তিনি বের হয়ে আসতে পারতেন।

কিন্তু আসেননি। ফলাফল তার একাউন্টে এখন আছে সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো। কিন্তু তিনি যদি ধ্বসের শুরুতেই তাৎক্ষণিক ভুল সংশোধন করে শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে আসতেন তাহলে পরবর্তীতে তিনি ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করে তিন লাখ টাকার লোকসান পুষিয়ে নিতে পারতেন। ‘সব সময় কেনা বেচা হয় না এমন শেয়ার ক্রয় না করার ভ্রান্ত ধারনা’

সব সময় কেনা বেচা হয় না এমন শেয়ার না কেনাই ভালো এটা একটি বিজ্ঞজনোচিত পরামর্শ। তবে এ ধারণার ভুল ব্যাখ্যা করে মাত্র ২/১টি কোম্পানির শেয়ার কেনা বেচাতে সীমাবদ্ধ থাকা সমীচীন নয়। ঢাকা ষ্টক এক্সচেঞ্জে প্রতি ট্রেডিং দিবসেই নিয়মিতভাবে শতাধিক কোম্পানির শেয়ার কেনা বেচা হয়।

তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম ষ্টক এক্সচেঞ্জে নিয়মিতভাবে লেনদেন হওয়া শেয়ারের সংখ্যাও নগণ্য নয়। তাই সর্বাধিক কেনা বেচা হয় এ ধরনের অতি সীমিত সংখ্যক শেয়ার কেনা বেচা করতে হবে এমন যুক্তির কোনো ভিত্তি নেই।

একটি বিশেষ কোম্পানির কী পরিমাণ শেয়ার নিয়মিতভাবে বেচা-কেনা হয় তার ভিত্তিতে ঐ কোম্পানির কতটি শেয়ার ক্রয় করা সঙ্গত তাই এক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয়। এ কৌশল অবলম্বন করে আপনি আপনার বিনিয়োগ বহুমুখীকরণের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত বেশি সংখ্যক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র থেকে লাভ অর্জন করতে পারেন এবং এভাবে ঝুঁকিও হ্রাস করা সম্ভব।

বেশি লেনদেন হয় এমন অতি অল্প সংখ্যক কোম্পানির বাহিরে অতি সস্তায় বেশ কিছু শেয়ার ক্রয় করার সুযোগ প্রায়ই সৃষ্টি হয়, যেখানে বিনিয়োগ করে অনেকে ঝুঁকিমুক্তভাবে অপেক্ষাকৃত বেশি মাত্রায় লাভবান হয়ে থাকেন। অবশ্য একথাও মনে রাখতে হবে যে, একই সঙ্গে প্রচুর সংখ্যক কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করা ও ম্যানেজ করা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না। সঠিক দর বিবেচনা না করে কোম্পানি ফান্ডামেন্টালকে একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য করা

শেয়ার ব্যবসায়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন নূন্যতম কোম্পানি ফান্ডামেন্টাল বিবেচনাতে নেয়া প্রয়োজন তেমনি ঝুঁকির মাত্রা কমাতে হলে কোম্পানি ফান্ডামেন্টালকে অবশ্যই যথাযথভাবে বিবেচনা করতে হবে। তবে শেয়ারটির বাজার দর অনেক বেশি কিনা, সঠিক দর কত হওয়া উচিত এ সকল বিষয় বিবেচনা না করেই নামী দামী কোম্পানির শেয়ার মাত্রাতিরিক্ত বেশি দরে ক্রয় করা অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিকর।

এক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, মূলধনী লাভ, লভ্যাংশ বা অন্যান্য প্রাপ্তির বিষয় বিশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রতিটি শেয়ার কেনা বেচা করার ক্ষেত্রেই সঠিক দর বিশ্লেষণের বিষয়টি যথাযথভাবে অবশ্যই বিবেচিত হতে হবে।

ফেস ভ্যালু ও কম দাম এবং বেশি দামের ভ্রান্ত ধারণা: এক ব্যক্তি কয়েক লক্ষ টাকা পুঁজির সমুদয় অর্থ নির্দিষ্ট একটি শেয়ারে বিনিয়োগ করেছেন। ঐ কোম্পানিটির উপর এত বেশি আগ্রহ কেন এ প্রশ্নের জবাবে জানা যায়, তার দৃষ্টিতে সংশ্লিষ্ট শেয়ারটির দর কম। তিন চার হাজার টাকা মূল্যের শেয়ারও যেহেতু বাজারে বিক্রী হচ্ছে তাই ৫০ টাকা দরে একটি শেয়ার ক্রয় করা তার যুক্তিতে সস্তাই বটে। কিন্তু বাস্তবে বিভিন্ন ধরনের শেয়ারসমূহকে এভাবে তুলনা করার কোন ভিত্তি নেই। বিষয়টি একটি উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়:

ফেস ভ্যালু শেয়ারের বাজার দর শেয়ার প্রতি আয় শেয়ার প্রতি সম্পদ লভ্যাংশ
১০০(একশত) টাকা ১০০০ টাকা ১৩০ টাকা ১০০০ টাকা ৯০ টাকা
১০০(একশত) টাকা ৪০০ টাকা ৭০ টাকা ৫৪০ টাকা ৪৫ টাকা
১০০(একশত) টাকা ৫০ টাকা ৩ টাকা ১৫ টাকা ৩ টাকা

উপরের দৃষ্টান্ত থেকে এ বিষয়টি পরিষ্কার যে, উক্ত ১০০০, ৪০০ ও ৫০ টাকার শেয়ারগুলোকে একই পাল্লায় মাপা যায় না। বরং এক্ষেত্রে ফেস ভ্যালু বা সম্পদ বা আয়ের সঙ্গে বাজার দরের আনুপাতিক সম্পর্ক, সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি, বাজার দরের তুলনায় ভবিষ্যৎ প্রাপ্তি, ইত্যাদির তুলনামূলক পর্যালোচনা গুরুত্বপূর্ণ।

বাস্তবে চিরস্থায়ী কম দাম এবং বেশি দাম বলতে কিছু নেই। ব্যবসায়িক সফলতা, ব্যর্থতা, ভবিষ্যৎ বিষয়ক সম্ভাবনা/হতাশা ইত্যাদি বিষয়ের আলোকেই বিশেষ পরিস্থিতি বিশেষভাবে বিবেচনার ভিত্তিতে শেয়ারের উচিত দর নির্ধারিত হয়।
কোম্পানির ব্যবসয়িক অবস্থা বা লাভ-ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস বৃদ্ধির প্রতি সবসময় দৃষ্টি না রাখা

দক্ষ শেয়ার ব্যবসায়িদের অনেকে নূন্যতম কোম্পানি ফান্ডামেন্টাল বিবেচনা ব্যতীত কোনো শেয়ার ক্রয় করেন না। বিজ্ঞ ব্যবসায়িগণ কোনো শেয়ারের ব্যবসায়িক ক্ষতির খবরে তাৎক্ষণিকভাবে শেয়ারটি বিক্রি করে দেন। অন্যদিকে টেকসই ও ক্রমবর্ধমান লাভের ইঙ্গিত পেয়ে সেই শেয়ার অপেক্ষাকৃত সস্তায় ক্রয় করে ঝুঁকিমুক্তভাবে প্রচুর লাভ অর্জন করেন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ব্যবসায়িক মন্দাবস্থা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনা করুন।
দর বৃদ্ধি সব সময়ের জন্য শুভ লক্ষণ নয়

এক সময়ের নামী দামী ব্যবসা সফল কোম্পানিও বর্তমানে লোকসানের সম্মুখীন হতে পারে। কোনো একটি কোম্পানি দীর্ঘস্থায়ী মন্দা কবলিত হয়ে পড়তে পারে। অথচ বর্তমান লোকসানের খবর প্রকাশ হওয়ার পূর্বেই কিছু ব্যক্তি যাদের কাছে প্রচুর শেয়ার রয়েছে তারা সাময়িকভাবে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি করে, শেয়ারটির দর বাড়িয়ে তুলতে পারেন কিম্বা অন্য কোনো কারণে শেয়ারটির দর বৃদ্ধি পেতে পারে।

যে বৃদ্ধি টেকসই হয় না এবং অনেক ব্যবসায়ী এ ধরনের শেয়ার বেশি দামে ক্রয় করে অনেক ক্ষেত্রে প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হন। বিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ ধরণের শেয়ারের দর বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

শুধু একটি বিষয়ের ভিত্তিতে দুটি শেয়ারের তুলনা: একজন শেয়ার ব্যবসায়ীর প্রশ্ন, দুটি কোম্পানি একই পণ্য তৈরি করছে অথচ একটির দর ১১০ টাকা অন্যটির দর ২০ টাকা কেন? মনে করা যাক প্রথম কোম্পানিটি দীর্ঘ দিন যাবত ব্যবসা করছে এবং সন্তোষজনক লভ্যাংশ প্রদানের পরেও ঐ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ (পুঞ্জীভুত লাভসহ) ৯০ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ ১১ টাকা। দ্বিতীয় কোম্পানিটির ক্ষেত্রে শেয়ার প্রতি সম্পদ ও আয়ের পরিমাণ যথাক্রমে ১৩ টাকা ও ১ টাকা।

যদিও দ্বিতীয় কোম্পানিটির ব্যবসায়িক সম্ভাবনা উজ্জ্বল তথাপিও বর্তমান ব্যবসায়িক অবস্থা, সম্পদ প্রভৃতির প্রেক্ষাপটে দুটি কোম্পানির শেয়ার দরের ভিন্নতার যৌক্তিকতা সহজেই বোঝা যায়। এ ধরনের বহু কারণের পরিপ্রেক্ষিতে শুধু একক বিষয়ের ভিত্তিতে শেয়ারের দর তুলনা করা ঠিক নয়। অথচ প্রথম কোম্পানিটির শেয়ারের দর ১১০ টাকা দেখে দ্বিতীয় এবং নবাগত কোম্পানিটির শেয়ারের দর সহসা ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে অনুমান করে ঐ শেয়ার উচ্চ মূল্যে ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ঘটনাও শেয়ার বাজারে দেখা যায়।

লভ্যাংশের ভিত্তিতে শেয়ার ক্রয় করা: লভ্যাংশই শেয়ার ক্রয়ের জন্য একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না। লভ্যাংশ প্রদানের ধারা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা, ব্যবসায়িক অবস্থা, ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পরিবর্তন এ ধরনের বহুবিধ বিষয়ও এক্ষেত্রে বিবেচনা করতে হবে।

সবার জন্য একই কৌশল সঠিক মনে করা: শেয়ার ব্যবসাকে একটি যুদ্ধ ক্ষেত্রের সাথে তুলনা করা যায়। যুদ্ধে জয়লাভের জন্য যেমন সেনাবাহিনীকে বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে হয় এবং বেশি সংখ্যক সৈন্য অপেক্ষা অল্প সংখ্যক সৈন্যের ক্ষেত্রে ভিন্নতর কৌশল অবলম্বন করতে হয়, শেয়ার ব্যবসাতেও তেমন বিভিন্ন কৌশলে পোর্টফোলিও সাজাতে হয়।

যার অপেক্ষাকৃত বেশি বিনিয়োগযোগ্য মূলধন রয়েছে, যার পক্ষে বিনিয়োগযোগ্য মূলধনের কিছু অংশ থেকে লাভ প্রাপ্তির জন্য অপেক্ষাকৃত বেশি দিন অপেক্ষা করা সম্ভব, যার পক্ষে কিছু বেশি দামে শেয়ার ক্রয়ের পরেও উক্ত শেয়ারের দর তাৎপর্যপূর্ণ মাত্রায় হ্রাস পাওয়ার পর সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বেশি পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করে গড় ক্রয় মূল্য হ্রাস করা সম্ভব, শেয়ার দর ওঠানামার ছন্দ অনুসরণ করে ক্রয় করা

শেয়ার বিক্রীযোগ্য হওয়ার পূর্বেই, স্বল্প সময়ে, পূর্বের মজুদ থেকে শেয়ার বিক্রী করে লাভ অর্জন করা সম্ভব, তার কৌশল এবং অতি অল্প পুঁজির, একজন ব্যবসায়ীর কৌশল এক হতে পারে না- এ বিষয়টি অনুধাবনে করতে হবে।

Comments are closed.