Deshprothikhon-adv

যে কারনে একমি ল্যাবরেটিজের বিনিয়োগকারীরা হতাশ

0

acme lagoশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একমি ল্যবরেটরিজের ঘোষিত ডিভিডেন্ডে বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়েছেন। কোম্পানির ঘোষিত ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির মিল নেই। যে কারনে বিনিয়োগকারীরা হতাশ হলেন। বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা ছিল কোম্পানটি প্রথম বছর বিনিয়োগকারীদের স্টক ডিভিডেন্ড দিবে। তবে কোম্পানিটি প্রথম বছর ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনার ফলে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, একমি ল্যাবরেটরিজ একটি ভালো মৌল ভিত্তি কোম্পানি। তাছাড়া প্রথম বছল ৩৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়া ভালো লক্ষন। তাছাড়া ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিলে কোম্পানির শেয়ার স্যখ্যা বাড়ে না। এটা বিনিয়োগকারীদের জন্য ভাল ।

একজন বিনিয়োগকারী জানান, আমার ১২০ টাকা করে কয়েক হাজার একমি কেনা। এত টাকায় যদি ওরা সাড়ে তিন টাকা দেয় তাহলে লাভ হলো কি? এতদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছিলাম। ভেবেছিলাম ডিভিডেন্ড ঘোষনা করলে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার কাছাকাছি চলে যাবে, কিন্তু এখন এই ডিভিডেন্ডে তা কতটুকু হয় চিন্তার বিষয়।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজর বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ সভাপতি মিজান উর রশিদ চৌধুরি জানান, ৩৫% হলেও তা যেহেতু ক্যাশ দিয়েছে তাই বলতে হবে এটি শুভ লক্ষন। কতৃপক্ষ শেয়ারের পরিমান বাড়াতে চায়নি। যা এবছর না হলেও আগামি বছরের জন্য ভালো হবে। আর বর্তমান বাজারে ৩৫% একেবারে কম নয়। তবে শেয়ারটির দামের তুলনায় লভ্যাংশ কম হয়েছে এটা ঠিক।

আর সংস্থাটির মহাসচিব আবদুর রাজ্জাক বলেন, দেশের প্রথম শ্রেনীর একটি ওষুধ কোম্পানি হিসাবে অন্তত ৫০% ডিভিডেন্ড দেয়া উচিত ছিল। আমরা এই কোম্পানির কাছ থেকে নগদের পাশাপাশি স্টক হিসাবেও কিছু চাচ্ছিলাম। সেটি না দেয়ায় আমাদের অনেক সদস্য মনক্ষুন্ন হয়েছেন। কর্তপক্ষ ৩৫ এর সাথে আরো ১৫ স্টক দিতে পারতো। অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি, প্রথম বছর হিসাবে অনেকেই নগদের সাথে স্টক দেয়। শুধু একমির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখলাম। তবে তিনিও কোম্পানি হিসাবে একমিকে ভালো বলে অভিহিত করেন এবং বলেন, ৩৫% হলেও বুধবারের বাজারে শেয়ারটির দাম বৃদ্ধির সম্ভবনা আছে।

উল্লেখ্, মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে । এর পুরোটাই নগদ। কোম্পানির সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।

কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত সময়ে একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৫৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭৭ টাকা ৩৪ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, একমি ল্যাবরেটরিজ এবছরই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

Comments are closed.