Deshprothikhon-adv

আর্থিক খাতের ১১টি কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

eps lago শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ১৯টি প্রতিষ্ঠান ২০১৬ হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ১১টি মোম্পানির মুনাফা বা শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। ৬টি কোম্পানি অকার্যকর ঋণের দায়ে লোকসানে পড়েছে। বাকী দুটি কোম্পানির মুনাফা কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ৪টি কোম্পানি এখনও ২০১৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে পারেনি। এ চার কোম্পানি হলো: মাইডাস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স, ডেল্টা ব্র্যাক। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব আইসিবি জুন ক্লোজিং হওয়ায় এখনও হিসাব বছরের নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি।

বে–লিজিংয়ের অর্ধবার্ষিক শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৩৫ টাকা। এছাড়া ৩০ জুন ২০১৬ অনুযায়ী শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৯.৯৩ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ অনুযায়ী এনএভিপিএস হয়েছে ২০.৯১ টাকা। অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৬৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.২৬ টাকা (নেগেটিভ)।

এদিকে তিন মাসে (এপ্রিল’১৬-জুন’১৬) বে-লিজিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩২ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.১৬ টাকা।

বিডি ফাইন্যান্সের অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি থেকে জুন) কোম্পানির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.০৩ টাকা। অর্থাৎ ইপিএস ১৫৬৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া সর্বশেষ তিনমাসের কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.২৮ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ১.০৮ টাকা ছিল। আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.৬৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (৬.৪৭) টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ১৫.৬০ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল (৪.৫৯) টাকা।

ফারইস্ট ফাইন্যান্সের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১.৩৪ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৫ টাকা। একই সময়ে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়িত শেয়ার প্রতি পকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৫.৫৮ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ১২.৫৬ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (০.৫৪) টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল (৩.৬৮) টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৫.৪০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৩.২৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪৬ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৬.৪৫ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ১৪.৭০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি মুনাফা থেকে লোকসানে গেছে।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫৩ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফার্স্ট ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১.৫৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.০৪ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১১.৫১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪৭ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.০৯ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৩.০৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১.০৮ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.০৯ টাকা। জিএসপি ফাইন্যান্স অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৯৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৫৫ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৬৯ শতাংশ বেড়েছে।

আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬.০৫ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৬.৬৮ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (২.৩৭) টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ সমাপ্ত সময়ে ছিল ৩.৩৮ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৪৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৪ টাকা।

আইডিএলসি ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৫১ টাকা যা এর আগের বছর একই সময় ৩.২৫ টাকা ছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩১.৯৮ টাকা। এদিকে, প্রথম প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৮.৭৫ টাকা (ঋণাত্মক) যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২.৩১ টাকা। এদিকে গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন, ২০১৬) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২.০৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিলো ২.৬৭ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০.৩৪ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান কমেছে ০.১৬ টাকা বা ৪৭.০৬ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নিট প্রবাহের পরিমান দাড়িয়েছে ১১.৯৪ টাকা (নেগেটিভ), যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৪৬ টাকা (নেগেটিভ)। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২.০৪ টাকা, যা গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে ছিল ১২.২১ টাকা। এছাড়া শুধুমাত্র দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএসে লোকসান হয়েছে ০.০২ টাকা, যা আগের বছর আয় ছিল ০.৩৯ টাকা।

আইপিডিসির ৬ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে কোম্পানিটি জানিয়েছে, আলোচিত সময়ে তাদের ইপিএস হয়েছে ১.১৯ টাকা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ০.৫৫ টাকা। অর্থাৎ গতবছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ১১৬ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির প্রকৃত সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬২০ কোটি ১১ টাকা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮২০ কোটি ২২ লাখ টাকা।

এদিকে গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এ তিন মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৭৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.২৭ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১২.২৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৮৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৭২ টাকা, এনএভিপিএস ছিল ১১.৬১ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ৫.৭৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির এনএভিপিএস বেড়েছে ০.৬৪টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪৯ টাকা। অর্ধবার্ষিকে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৬৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস কমেছে ০.৫২ টাকা।

এদিকে গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৩৪ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ন্যাশনাল হাউজিংয়ের শেয়ার প্রতি (ইপিএস) হয়েছে ১.১২ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৩.৭৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৩৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৯৪ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.২৮ টাকা (মাইনাস) এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত এনএভিপিএস ছিল ১৪.১২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১৮ টাকা বা ১৯.১৫ শতাংশ। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৩৬ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফিনিক্স ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.০২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৯.৮৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৭ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.৮৬ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২০.৭৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৩২ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.০৩ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১.৪৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.৭৪ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১১.৬৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.১০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.৯৫ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৭.৬২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১.৫৪ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৩৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে লোকসান ছিল ০.০৪ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৭ টাকা (সমন্বিত), শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১০.৭২ টাকা (মাইনাস) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১১.৭১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.১৪ টাকা (সমন্বিত), এনওসিএফপিএস ছিল ১০.৮১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১১.১৪ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে  ০.৮৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ( ২.৬৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে  ১৪.৩৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল (পড়হংড়ষরফধঃবফ) ০.৫১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.৪৫ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৬.৪৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১.৩৬ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে (পড়হংড়ষরফধঃবফ) ০.৪৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৭ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪১ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস)  ৭.৯৮ টাকা (নেগেটিভ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৭৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৩০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৩.৩১ টাকা (নেগেটিভ) এবং এনএভিপিএস ছিল (সমন্বিত) ১৫.৪২ টাকা । সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১১ টাকা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.১৭ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯১ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩.৫৮ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৩৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৮১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৫.৭০ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৫.৯০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১০ টাকা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৪৪ টাকা।

উত্তরা ফাইন্যান্সের অর্ধবার্ষিক শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.২২ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪.২৫ টাকা। এছাড়া ৩০ জুন ২০১৬ অনুযায়ী শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪৪.০৯ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ অনুযায়ী এনএভিপিএস হয়েছে ৪১.৮৭ টাকা। অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৪.৯৯ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৪.৫৭ টাকা।

এদিকে তিন মাসে (এপ্রিল’১৬-জুন’১৬) উত্তরা ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২.১১ টাকা।য়োজন হবে না।

Comments are closed.