Deshprothikhon-adv

কারাগারের জমির দাবিতে উত্তাল জবি

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

jabiসোহাগ রাসিফ, জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে অবস্থিত  সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের জমির দাবিতে নিরলসভাবে আন্দোলন করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মদিবসের শেষ তিনদিন ধরেই হাজারো শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে হলের দাবিতে টানা আন্দোলন করে যাচ্ছে।

গতকাল তৃতীয় দিনের আন্দোলনে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যানার,পোস্টার,প্লাকার্ড হাতে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান ধরে  কয়েকবার করে পুরো ক্যাম্পাস প্রদিক্ষন করে, পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল গেটে অবস্থান নিয়ে রাস্তায় নামতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

মানবন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন , পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ কলেজ  ২০০৫ সাল থেকে  বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠার এক দশক পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জায়গা সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত আবাসন সুবিধা পায়নি, অথচ দেশে নতুন নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরপরই শিক্ষার্থীরা হলের সুবিধা ভোগ করেন।

সম্প্রতি পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের পর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের জমি পাওয়ার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিণ  আবেদন করে। ‘ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিণ’ কারাগারের জমিতে একটি  বঙ্গবন্ধু স্মৃতি  জাদুঘর আন্তর্জাতিক কনভেনশন, প্রাত: ও সন্ধ্যাকালীন হাঁটার জায়গা, শিশুপার্ক,কারাগারের মূল চত্ত্বরের বাইরে পতিত জায়গাতে সিটি করপোরেশন দোকান এবং জাতীয় চার নেতার স্মৃতি সংরক্ষনের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান করতে চায়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রস্তাবিত প্রকল্পের সাথে সহমত পোষন করে  কারাগারের ২৩ একর জমিতে জাতীয় চার নেতার নামে চারটি হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা সিনেট ভবন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ও তত্ত্বাবধায়নে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, প্রাত: ও সন্ধ্যাকালীন সুপরিকল্পিত চারিদিক বিস্তৃত সবুজায়ন সহ হাঁটার পথ ও একটি শিশুপার্ক  নির্মানের দাবি জানান।

সমাজকর্ম বিভাগের এক শিক্ষার্থী জোনায়েদ সাকী বলেন, চারটি হল জাতীয় চার নেতার নামে তৈরি করা হলে এর চেয়ে বেশি স্মৃতি সংরক্ষন আর কোনভাবে হতে পারে না।
উল্লেখ্য যে, আগামী রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে মানববন্ধন করে পরবর্তী কর্মসূচীর ঘোষনা দিবে বলে জানা যায়।

Comments are closed.