Deshprothikhon-adv

ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ে আস্থা ফিরছে বিনিয়োগকারীদের

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

dse-cse lagoপ্রশান্ত কুন্ডু, শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে সপ্তাহজুড়ে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার আভাসে গত সপ্তাহে প্রধান সূচক ও লেনদেন। বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার আভাসে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বিনিয়োগমুখী হওয়ার চিন্তা ভাবনা করেছে। বর্তমান বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সাথে সাধারন বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয় করছেন। যার ফলে বাজার স্থিতিশীলতার আভাস দিচ্ছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

টানা কয়েক সপ্তাহে দরপতনের পর ইতিবাচক ধারায় ফিরছে দেশের পুঁজিবাজার। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে বেড়েছে প্রধান সূচক ও লেনদেন। একই সঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধন ও পিই রেশিও। তবে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কমেছে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর।

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ (এক্সপোজার) সমন্বয়ের বিষয়টি সমাধান হওয়ায় আস্থা ফিরে পাচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ফলে হতাশা কাটিয়ে এখন বাজারে সক্রিয় হচ্ছেন তারা। একই সঙ্গে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোরও ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামনের দিনগুলোতে আরো ইতিবাচক হবে বলে মনে করছেন দেশের পুঁজিবাজার বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত শনিবার (১৬ জুলাই) সরকারি ছুটি বাতিল করায় বিগত সপ্তাহে ছয় কার্যদিবস লেনেদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রথম কার্যদিবসে (শনিবার) লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮১২ কোটি ৬৬ লাখ ৬ হাজার ৮১২ টাকা এবং শেষ কার্যদিবসে বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) লেনদেন শেষে বাজার মূলধন বেড়ে দাড়িয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ২৮৪ কোটি ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৮৭৭ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৪৭১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বা শূণ্য দশমিক ৪৬ শতাংশ।

গত সপ্তাহে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৩৯৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৭১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণও। গড়ে প্রতিদিন টার্নওভার হয়েছে ৩৯৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৪২ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৫ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৫৫৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। তবে শরিয়া সূচক ডিএসইএস ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১১৪ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক দশমিক ৫৮ পয়েন্টে বেড়ে ১ হাজার ৭৭৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারের সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়ে ১৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিকে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক বেড়েছে দশমিক ৫৪ শতাংশ। সিএসই৩০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৩৭ শতাংশ, সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিএসই৫০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং শরীয়াহ্ সিএসআই সূচক কমেছে দশমিক ১৫ শতাংশ।

সিএসইতে গড়ে মোট লেনদেন হয়েছে ২৮৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির। মোট লেনদেন হয়েছে ২২৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

Comments are closed.