Deshprothikhon-adv

পুঁজিবাজারে আইপিওতে আসার অপেক্ষায় ৯ কোম্পানি

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

ipo lagoশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: আইপিও আবেদনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসাার অপেক্ষায় রয়েছে ৯টি কোম্পানি। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) চূড়ান্ত পর্যায়ে অনুমোদন দিলেই কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করবে। বিএসইসির বিশেষ একটি সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

অপেক্ষায় থাকা ৯টি কোম্পানির মধ্যে এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেড (অ্যাপোলো হাসপাতাল), আমরা নেটওয়ার্কস এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে চায়। সম্প্রতি কোম্পানিগুলো বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসার জন্য রোড শো করেছে। আর বাকী ৬ কোম্পানি অভিহিত মূল্যে বাজারে আসবে।

ঈদের পরে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে আসছে এ ৯ কোম্পানি। বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে সম্প্রতি কোম্পানিগুলো নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএসইসিতে আবেদন করা কোম্পানিগুলো হলো- এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেড (অ্যাপোলো হাসপাতাল), আমরা নেটওয়ার্কস, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড, প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড, ইফকো গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড, হ্যামপ্যাল রি ম্যানুফেকশ্চারিং বাংলাদেশ লিমিটেড, মারহাবা স্পিনিং, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং লিমিটেড এবং শেফার্ড টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড।

সূত্র মতে, এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেড (অ্যাপোলো হাসপাতাল), আমরা নেটওয়ার্কস এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে চায়। সম্প্রতি কোম্পানিগুলো বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসার জন্য রোড শো করেছে। আর বাকী ৬ কোম্পানি অভিহিত মূল্যে বাজারে আসবে।

জানা গেছে, পুঁজিবাজার থেকে প্যাসিফিক ডেনিমস্ লিমিটেড ৭৫ কোটি টাকা, ইফকো গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ২০ কোটি টাকা, হ্যামপ্যাল রিম্যানুফেক্সারিং বাংলাদেশ লিমিটেড ২০ কোটি টাকা, মারহাবা স্পিনিং ৫০ কোটি টাকা, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং লিমিটেড ২২ কোটি টাকা এবং শেফার্ড টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড তুলতে চায় ২০ কোটি টাকা।

এদিকে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেড (অ্যাপোলো হাসপাতাল) ৭৫ কোটি টাকা, আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড ৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় ।

উল্লেখ্য, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে শেয়ার বিক্রির দর নির্ধারণ করা হবে। আর এর উপর ভিত্তি করে কোম্পানিগুলো ঠিক করবে কী পরিমাণ শেয়ার বাজারে ছাড়বে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে যে দামে শেয়ার বিক্রি করা শেষ হবে সেই দামে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

মোট শেয়ারের ৫০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য থাকবে ৩০ শতাংশ শেয়ার। বাকী শেয়ার থেকে ১০ শতাংশ করে পাবে মিউচুয়াল ফান্ড ও অনিবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা।

প্রসপেক্টাসের তথ্য অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরে এসটিএস হোল্ডিংস তথা অ্যাপোলো হাসপাতালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৯ টাকা। যা এর আগের বছর ইপিএস ছিল ২.২২ টাকা।

এদিকে, উত্তোলিত অর্থ থেকে ১২ কোটি ৩৮ লাখ ৬১ হাজার ৫৮৫ টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধ করবে আমরা নেটওয়ার্কস। কোম্পানির অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য (বিএমআরই) ব্যয় করা হবে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা। কোম্পানিটি ১৩ কোটি ৮০ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৪ টাকা ব্যয় করে , ডাটা সেন্টার স্থাপন করবে। আর বিভিন্ন জায়গায় ওয়াইফাই হটস্পট স্থাপনের জন্য যাবে ১৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৮ হাজার ২৭১ টাকা।

আমরা নেটওয়ার্কসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩.১৬ টাকা। যা এর আগের বছর ছিল ৩.২৬ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ছিল ২১.৯৮ টাকা। এর আগের বছর এনএভি ছিল ১৬.৭৭ টাকা।

এদিকে, ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড। পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থের একটি অংশ দিয়ে কক্সবাজারে একটি ফোর স্টার হোটেল নির্মাণ করবে ঢাকা রিজেন্সি। আরেকটি অংশ ব্যয় করা হবে বিদ্যামান হোটেলের আধুনিকায়ন ও ঋণ পরিশোধে।

কোম্পানিটি আইপিওতে উত্তোলিত অর্থ থেকে ২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধে। কোম্পানির বিদ্যমান পণ্য ও সেবার আধুনিকরণে ব্যয় করা হবে ১০ কোটি টাকা। কক্সবাজারে হোটেল নির্মাণে ব্যয় করা হবে ২৭ কোটি টাকা। আর আইপিও বাবদ খরচ করা হবে ৩ কোটি টাকা।

কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪২ টাকা। তবে আগের বছর এই ইপিএস ছিল ৩.১১ টাকা। আলোচিত বছরে কর পরবর্তী মুনাফা ছিল ১৪ কোটি ৫১ লাখ ৯০ হাজার ২৫৬ টাকা। যা এর আগের বছরে ছিল ১৮ কোটি ৬৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯০৪ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৩১.৩৫ টাকা।

Comments are closed.