Deshprothikhon-adv

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার আভাস, লেনদেন স্বাভাবিক

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

dse-cse lagoশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা:  সপ্তাহজুড়ে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের সঙ্গে কমেছে সব ধরনের মূল্য সূচক। তবে সপ্তাহজুড়ে বাজার পরিস্থিতি ব্যাপক উঠানামার মধ্যে ছিল। আলোচিত সপ্তাহে লেনদেন ৩ শত কোটি গড়ে ছিল। লেনদেন সাধারনত এক গতিতে চলতে ছিল। তাছাড়া প্তাহজুড়ে বাজার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ভাবে চলছিল। যদিও লেনদেন তেমন না বাড়লেও সুচক তেমন একটা দরপতন ঘটেনি।

আলোচিত সপ্তাহে বাজার ছিল উঠানামার মধ্যে। তবে বাজারের সার্বক পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যে চলছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন। কারন বিগত বছরগুলোতে রমজানে যে ভাবে বাজার দরপতন ঘটেছিল। এ বছর একটু ব্যতিক্রম ছিল। এ বছর রমজানে লেনদেন ও সুচক স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে ঈদ পরবর্তী বাজার স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলেন, ঈদের আগের বাজার হিসেবে বাজার কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে। এ গতিতে চলতে থাকলে ঈদ পরবর্তী বাজার আরো ভালো হবে তেমনি লেনদেন বাড়বে। তাই বিনিয়োগকারীদের বুঝে শুনে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন তারা।  তবে আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আগের সপ্তাহের চেয়ে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৩৫২ কোটি ৮৭ লাখ টাকার। আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৯৭১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার।

সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে  দশমিক ৯২ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে  দশমিক ৪৫ শতাংশ।

ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক কমেছে দশমিক ৩১ শতাংশ বা ১৩ দশমিক ৮২ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক কমেছে  দশমিক ৮৬ শতাংশ বা ১৪ দশমিক ৯১ পয়েন্ট। অপরদিকে,শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে দশমিক ১৮ শতাংশ বা ১ দশমিক ৯১ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৬টি কোম্পানির।আর দর কমেছে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টির। আর লেনদেন হয়নি ২টি কোম্পানির শেয়ার। এদিকে চট্টগ্রাম স্টকএক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ১০২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার। প্রধান সূচক কমেছে দশমিক ৫১ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৭৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২১টি কোম্পানির।আর দর কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির।

Comments are closed.