Deshprothikhon-adv

এয়ারলাইনস কোম্পানির শেয়ারে ধস সন্ত্রাস আতঙ্কে

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

american airশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: সন্ত্রাসবাদের অব্যাহত আতঙ্কে ক্ষতির মুখে পড়েছে বিশ্বের বড় বড় এয়ারলাইনস কোম্পানি। এই আতঙ্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অরল্যান্ডো হামলা। ডেল্টা, জেট ব্লু, আমেরিকান এবং অন্য বড় বড় এয়ারলাইনস কোম্পানিগুলোর শেয়ার এখন নিম্নমুখী।

 

গত কয়েক বছরে তেলের দাম হ্রাস এবং ব্যবসা ও ভ্রমণের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশ ভালো অবস্থানে ছিলো কোম্পানিগুলো। সেসময় ওয়াল স্ট্রিটে দাপটের সাথে ব্যবসা করেছে কোম্পানিগুলো।

 

সিএনএনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে তেলের দামের সাথে সাথে বিমানভাড়াও বাড়ছে। জেট ব্লু সম্প্রতি জানিয়েছে, বছরের বাকি সময়ে তারা যাত্রী পরিবহন কমিয়ে দেবে। জিকা ভাইরাসের আতঙ্কে এরই মধ্যে মন্দার শিকার কোম্পানিটি।

কারণ, তেলের দাম বৃদ্ধি ছাড়াও জিকা ভাইরাস ও সন্ত্রাস আতঙ্কে অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটে গত সপ্তাহে প্রায় সব এয়ারলাইনস কোম্পানির শেয়ার দরপতনের শিকার হয়। অরল্যান্ডোর পালস নাইটক্লাবে হামলার খবরে ধস নামে কোম্পানিগুলোর শেয়ারে। অরল্যান্ডোকে মনে করা হয় বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। ফলে ভ্রমণপিপাসুদের খরায় পড়ে এয়ারলাইনস কোম্পানিগুলো।

চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ওয়াল স্ট্রিটে দরপতনের শীর্ষে আছে আমেরিকান এয়ারলাইনস। এ সময়ে কোম্পানিটির দর কমেছে ৩১ শতাংশ। ইউনাইটেড এয়ার ২৭ শতাংশ, ডেল্টা ২৫ শতাংশ, জেট ব্লু ২৮ শতাংশ, আলাস্কা এয়ার ২৫ শতাংশ এবং সাউথওয়েস্টের শেয়ার কমেছে ৮ শতাংশ।

শুধু ইউএস এয়ারলাইনসের সাশ্রয়ী সেবাদাতা কোম্পানিগুলো কিছুটা ভালো অবস্থানে। এদের মধ্যে স্পিরিট-এর দর বেড়েছে ৫ শতাংশ এবং ভারজিন আমেরিকার দর বেড়েছে ৫৫ শতাংশ। ইউরোপের বৃহৎ এয়ারলাইনস কোম্পানি রায়ানএয়ার, লুফথানসা, এশিয়া অঞ্চলের ক্যাথে প্যাসিফিক, চায়না সাউদান-এর দর কমেছে ১০ শতাংশ।

এয়ারলাইনস কোম্পানিতে বিনিয়োগকারী এবং এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য হতাশার হলেও যাত্রী এবং ভ্রমণকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে এই সাম্প্রতিক দরপতন। কারণ, অধিকাংশ কোম্পানিই তাদের বিমান ভাড়ার পরিমাণ কমাতে বাধ্য হচ্ছে। এর বাইরে বিমান সেবায় আনুষঙ্গিক খরচও কমে গেছে।

Comments are closed.