Deshprothikhon-adv

সপ্তাহজুড়ে কাসেম ড্রাইসেলের এত দর বাড়ার কারন কি?

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

Quasem-drycellsশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাতের কোম্পানি কাসেম ড্রাইসেলস লিমিটেড। আলোচিত সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ১৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে কোন কারন ছাড়া হঠাৎ এত দর বাড়া নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে আলোচনার শেষ নেই। কয়েকজন বিনিয়োগকারী কাসেম ড্রাইসেলস লিমিটেডের শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগ তুলেছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি দরপতন থাকলে কারসাজি থেমে নেই। প্রতিদিনই কোন কোন কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি চলছে। দরপতন বাজারে কারসাজি চলছে হরদম ভাবে।

বাজার বিশ্লেষনে জানা গেছে, আলোচিত সপ্তাহে কাসেম ড্রাইসেলস লিমিটেডের শেয়ারের লেনদেন ৮২ দশমিক ৪০ পয়সায় শেষ হয়। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে শেয়ারটির লেনদেন শেষ হয়েছিল ৬৯ টাকা ১০ পয়সায়। এ হিসেবে সদ্য সমাপ্তা সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের দর ১৩ টাকা ৩০ পয়সা বা ১৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

quasem 1 monthডিএসই সূত্রে আরও জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৮৬ টাকায় উঠেছিল কাসেম ড্রাইসেলস লিমিটেড কোম্পানির শেয়াররে দর। সপ্তাহজুড়ে ৪৭ কোটি ৩৬ লাখ ৬ হাজার টাকায় এই কোম্পানির ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ২০০টি শেয়ারের লেনদেন হয়েছে।

লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইবনে সিনা। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ৩০ কোটি ২৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকায় কোম্পানিটির ৬ কোটি ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪০০টি শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানটির শেয়ারের দর ১৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়েছে। শেষ কার্যদিবসে সর্বশেষ ২৩৯ টাকা ৪০ পয়সায় শেয়ারটির লেনদেন হয়।

লেনদেনের তৃতীয় স্থানে ছিল এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড। সপ্তাহজুড়ে ৭ হাজার ইউনিট হাত বদল হয়েছে। যার বাজার মূল্য ছিল ৩৫ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ইউনিটটির দর বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ। শেষ কার্যদিবসে ইউনিটিটির সর্বশেষ লেনদেন হয় ৫ টাকা ৯০ পয়সায়।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- জিকিউ বলপেন, অরিয়ন ইনফিউশন, আরামিট, মন্নু সিরামিক, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, গ্রামীণ ওয়ান: স্কিম টু এবং জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড।

Comments are closed.