Deshprothikhon-adv

পুঁজিবাজারে হঠাৎ এত লেনদেন বাড়া কিসের ইঙ্গিত!

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

share stockশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে আজ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) হঠাৎ গত সাড়ে তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনার শেষ নেই। বিনিয়োগকারীদের একটাই প্রশ্ন হঠাৎ এত লেনদেনের কারন কি?

dse-1বাজার কি সামনে আরো খারাপ হবে। না ঈদ পরবতর্তী বাজার আরো ভাল হবে নিয়ে সিকিউরিটিজ হাউজগুলোতে আলোচনার শেষ নেই। অধিকাংশ বিনিয়োগকারীরা মনে করেন বাজার সামনে আরো ভাল হবে। আর কত কাল বাজার খারাপ থাকবে।

বাজার বিশ্লেষনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার দিনশেষে টার্নওভারের শীর্ষে অবস্থান করছে একমি ল্যাব। কোম্পানির আজ ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা মোট লেনদেনের ১০.৬৭ শতাংশ। একমি ল্যাব ছাড়াও আজ ট্রার্নওভারের শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, বিএসআরএম লিমিটেড, ডোরিন পাওয়ার, ব্রাক ব্যাংক, আমান ফিড, কাশেম ড্রাইমেলস লিমিটেড।

dseতবে বাজার বিশেষজ্ঞরা মূলত বাজারে ৫৩০ কোটি টাকার লেনদেন হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব হিসেবে দেখচ্ছে এ্কমি ল্যাবরেটরিজকে। কারণ গত কয়েকদিনের ৩০০ কোটির ঘরের ঘুর পাক থাওয়া বাজারকে মুক্ত করতে একমির অবদানকে ধরছে তারা।

এদিকে পাবলিক ইস্যু রুলস-২০১৫ এর আওতায় পুঁজিবাজারে সর্বপ্রথম বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ। এ কোম্পানির আজ অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।

`1নতুন এই আইন অনুযায়ী, আইপিওর মোট শেয়ারের ৫০ শতাংশ শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। কিন্তু এ প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লকইন কবে উঠছে এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভ্রান্তধারণা সৃষ্ঠি হয়েছে।

উল্লেখ্য, একমির প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩ কোটি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের নিকট ৫০ লাখ ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে ২ কোটি ৫০ লাখ। লেনদেন শুরুর প্রথম কার্যদিবসে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার লক ইন মুক্ত হয়েছে। বাদবাকি শেয়ারে ৭৫ লাখ শেয়ার আগামী ১৯ জুন লকইন মুক্ত হবে। বাদবাকি শেয়ার আগামী ১৭ সেপ্টম্বর লকইন‍মুক্ত হবে।

আজ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ডিএসইতে লেনেদেন হয়েছে ৫৩০ কোটি টাকা। আর চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি টাকা। চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারিয় ঢাকার বাজারে লেনদেন হয়েছিলো ৫৭১ কোটি টাকা।

2এদিন লেনদেন বাড়লেও কমেছে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। এর আগের দুই কার্যদিবস মঙ্গল ও বুধবার সূচকের উত্থান হয়েছে। তবে আগের টানা তিন কার্যদিবস পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ৩১৮টি কোম্পানির ৯ কোটি ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৩টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৫৩০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিলো ৩৫৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার।

3ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬.৭১ পয়েন্টে কমে ৪ হাজার ৩৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫.২৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮০ পয়েন্টে এবং ডিএসই৩০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮.৭০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩১৮ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৯টির। দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ১০.৬৮ পয়েন্টে কমে ৮ হাজার ২৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ২১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১১০টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫৪টির।

Comments are closed.