Deshprothikhon-adv

দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেন

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

dse-cseশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে সপ্তাহজুড়ে কিছুটা স্থিতিশীলতার আভাসে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারীরা। এক্সপোজার বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকেরে ইতিবাচক বক্তব্যে পর থেকে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও আতঙ্ক কাটছে কেটে গেছে। ফলে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস সুচকের উর্ধ্বমুখী প্রবনতার মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়।

এদিকে বেশ কয়েক সপ্তাহ দরপতনের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। গেল সপ্তাহে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সব ধরণের মূল্য সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর। একই সঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধনের ও পিই রেশিও। তবে দুই বাজারেই কমেছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পহেলা মে (রোববার) সরকারি ছুটির কারণে গেল সপ্তাহে চার কার্যদিবস দেনদেন হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। ফলে গেল সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রথম কার্যদিবস সোমবার (২ এপ্রিল) লেনদেন শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৮৫ কোটি ২৯ লাখ ৩০ হাজার ১৬৪ টাকায়

এবং শেষ কার্যদিবসে বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) লেনদেন শেষে বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৭৮ কোটি ৬৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৫ হাজার ৫৯৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বা ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

গত সপ্তাহে চার দিনে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৪৫ কোটি ৯১ লাখ ৮২ হাজার ২২৯ টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৫ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ কম। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে পাঁচ দিনে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৭৫৭ কোটি ৩৪ লাখ ৮১ হাজার ৪৯৪ টাকা।

তবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ। প্রতিদিন গড়ে টার্নওভার দাঁড়িয়ে হয়েছে ৪৩৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। যা তার আগের সপ্তাহে ছিল ৩৫৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে গড়ে টার্নওভার বেড়েছে ৮০ কোটি ২৫ লাখ টাকা বা ২২ দশমিক ৫৩ শাতংশ বেশি।

গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১১১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৫২ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস বেড়েছে ৩১ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

গেল সপ্তাহে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০১টির, কমেছে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির আর লেনদেন হয়নি ৩টি কোম্পানির শেয়ার। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারের সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে ১৪ দশমিক ১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

গত সপ্তাহে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সিএসই৩০ সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ, সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ, সিএসই৫০ সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং শরীয়াহ সিএসআই সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সপ্তাহে সিএসইতে গড়ে মোট লেনদেন হয়েছে ২৬৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬১টির, কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৯৭ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

Leave A Reply