Deshprothikhon-adv

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির সঙ্গে যোগসূত্র আছে মিশরের!

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

bangladesh bank lagoশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত কম্পিউটার ও ল্যাপটপে সন্দেহভাজন একটি ম্যালওয়ার পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। ওই ম্যালওয়ারের সঙ্গে মিশরের সংযুক্তি পাওয়ায় রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িত তৃতীয় দেশ হিসেবে মিশরকে তালিকাভুক্ত করেই তদন্ত চালাবে পুলিশ।

সিঙ্গাপুরের সংবাদমাধ্যম স্ট্র্যাটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা সন্দেহভাজন ম্যালওয়ারটি মিশর থেকে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা শাহ আলমের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, রিজার্ভ চুরির কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা আগে একটি মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মেইন সার্ভারে ওই ম্যালওয়ারটি পাঠানো হয়েছিল। ওই মেইলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেটি মিশর থেকে পাঠানো হয়েছিল।

শাহ আলম জানান, রিজার্ভ চুরির মূল হোতাকে খুঁজে বের করতে মিশরের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছি। যে আইডি থেকে মেইলটি পাঠানো হয়েছিল, মিশরের কাছ থেকে তার আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) অ্যাড্রেস চেয়েছি।

তিনি আরও জানান, ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ফিলিপাইন এবং শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন ব্যবসায়ী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িতদের তালিকায় তৃতীয় দেশ হিসেবে মিশরকে রেখেই তদন্ত করবে পুলিশ।

সার্বিক তদন্তের কারণে এর চেয়ে বেশি তথ্য দিতে রাজি হননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে ওই ম্যালওয়ার বিষয়ে তেমন কিছু জানাতে পারেননি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা।

প্রসঙ্গত, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুইফট মেসেজ পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় ১০ কোটি ডলার সরানো হয়। এর মধ্যে আরসিবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে প্রবেশ করে।

রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া আরও ৯৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার সিনেট কমিটির কাছে জমা দিতে সম্মত হয়েছেন ফিলিপাইনের ব্যবসায়ী কাম সিন অং ওরফে কিম অং। গত ৫ এপ্রিল ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির চতুর্থ দিনের শুনানিতে চুরির অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে রাজি হন তিনি।

এর আগে গত ৩০ মার্চ ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল সচিবালয়ের শুনানিতে হাজির হয়ে ৪৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার ফেরত দিয়েছিলেন ফিলিপাইনের ওই ব্যবসায়ী।

Leave A Reply