Deshprothikhon-adv

সোহাগী জাহান তনু হত্যা: ফোন নম্বরটি কার?

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

tonu comillaশেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: সোহাগী জাহান তনুর হত্যার বিচারের দাবিতে কুমিল্লার সহ সারাদেশের মানুষ একাত্ম।সবার একটাই দাবি সোহাগী জাহান তনু হত্যার বিচার চাই। কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার সোহাগী জাহান তনু গত বছরের শেষ দিকে ফেইসবুকে একটি মোবাইল নম্বরের দশটি ডিজিট শেয়ার করে ওই নম্বর থেকে তাকে বিরক্ত করার কথা জানিয়েছিলেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাসের ছাত্রী তনুর মৃত্যুর পর চার দিনেও পুলিশ হত্যাকারীর হদিস না পাওয়ায় সেই নম্বরের সূত্র ধরে তদন্তের দাবি উঠেছে।

‘‘Jahan Zara’ নামে ফেইসবুকে সক্রিয় থাকা তনু গত ৩ নভেম্বর এক পোস্টে লেখেন, “কিছু মানুষ এত বাজে.. ০১৯৭১৮৩১৮৫.. এত কল কেন যে দিতেছে উফৃ।” ওই পোস্টে সে সময় একজন প্রশ্ন করেছিলেন, “কে সে, তুমি কি তাকে চেন? রিসিভ করে কথা বল।” জবাবে তনু লিখেছিলেন, তিনি তাকে চেনেন না। বৃহস্পতিবার তনুর ওই পোস্ট শেয়ার করে ফোন নম্বরটির হদিস বের করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

সাইফুল ইসলাম রিফাত নামে একজন ফেইসবুকে লিখেছেন, “আমি জানি, আমার এই কথায় তেমন কোনো যুক্তি নেই। তবুও, এই নম্বরটা কার সেই ব্যাপারে তদন্ত হওয়া উচিত। তনুকে এই নম্বর থেকে বিরক্ত করা হয়েছে!” কামাল হোসাইন সোরব নামে অন্য এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এই নম্বর থেকে সোহাগী জাহান তনুকে খুব বিরক্ত করতো, কার এই নাম্বার????????” সিলেটে বেড়াতে গিয়ে তোলা কিছু ছবি সর্বশেষ গত ২০ মার্চ ফেইসবুকে আপলোড করেছিলেন তনু।

ওইদিন রাতেই ময়নামতি সেনানিবাসের অলিপুর এলাকার একটি কালভার্টের রাস্তার পাশে ঝোঁপের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণীর লাশ পাওয়া যায়। পাশেই পাওয়া যায় তনুর জুতা, ছেঁড়া চুল, ছেঁড়া ওড়না। পুলিশের ধারণা, খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল তনুকে। তনুর অ্যাকাউন্টটি ‘রিমেম্বারিং’ করেছে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ। বন্ধু তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের আবেদনের ভিত্তিতে মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট ‘রিমেম্বারিং’ করা হয়। ২০১১ সালে ফেইসবুক এই সুবিধা চালু করে।

মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টকে এভাবে স্মরণ করলে ওই অ্যাকাউন্টের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’ বদলে যায়। কেবল বন্ধুরাই ওই প্রোফাইল দেখতে পারেন। স্মরণ করা অ্যাকাউন্টে আর কেউ ‘লগ ইন’ করতে পারেন না, হোম পেইজেও ওই অ্যাকাউন্টের সাজেশন যায় না, জন্মদিনের নোটিফিকেশনও দেওয়া হয় না। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তনুর লাশের ময়নাতদন্ত হয়। এরপর তাকে গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুরে দাফন করা হয়।

ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তনু কলেজ থিয়েটারের সদস্য ছিলেন।তার বাবা ইয়ার হোসেন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। অলিপুর এলাকায় তাদের বাসা। তনুর সহপাঠী মাইনুল হক স্বপন জানান, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তার বন্ধু টিউশনি করতেন। ছাত্রের বাসা থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বেরিয়েছিলেন তনু। তার দুই ঘণ্টা পর সেনানিবাস এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়।

Leave A Reply