Deshprothikhon-adv

বিএসইসির নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলি, ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ ৩০ কোম্পানি

0
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Yummly0Share on StumbleUpon0Share on Reddit0Flattr the authorEmail this to someonePrint this page

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে এখনো ৩০ কোম্পানির উদ্যোক্তা বা পরিচালকরা সম্মিলিত ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে পারেননি। পুঁজিবাজারে স্মরনকালের ভয়াবহ ধসের পর পুঁজিবাজারের অস্থিতিশীলতা দূর করতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ধারণের নির্দেশনা দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এদিকে কোম্পানিগুলোর পরিচালকরা তাদের বেশিরভার দায় বিনিয়োগকারীদের কাধে চাপিয়ে নিজেদের নিজের স্বার্থ হাসিল করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, বিএসইসি’র শেয়ার ধারণ সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্যোক্তা পরিচালকদের একক শেয়ার ২ শতাংশ এবং কোম্পানির সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশ সংগ্রহ করার সময়সীমা ২০১২ সালের ২২ মে শেষ হয়ে গেছে।

এর আগে ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর বিএসইসি তালিকাভুক্ত কোম্পানির সব পরিচালককে সবসময় সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ২ শতাংশ শেয়ার এবং কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সবসময় সম্মিলিতভাবে ওই কোম্পানির ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের নির্দেশ দেয়। এটি পরিপালনের জন্য ছয় মাস সময় বেঁধে দেয়।

বিষয়টি উচ্চ আদালতে গড়ায় এবং সর্বশেষ গত ১৪ মে কোম্পানির উদ্যোক্তাদের ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতার প্রজ্ঞাপনটি অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। ঠিক এর পরের দিন এ রায় স্থগিত করেছে চেম্বার বিচারপতি। ফলে ২০১২ সালের ২২ মে পর্যন্ত তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির পরিচালকরা ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হন, তাদের পদ শূন্য হয়ে যায় এবং সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশ ধারণে ব্যর্থ হয়েছেন তারা আইন লঙ্ঘন করছেন।

তারপরেও এই ৩০ কোম্পানির পরিচালকরা ৩০ শতাংশের কোটা পূরণ করছে না। পরিচালকরা তাদের ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে মূলধন বৃদ্ধি করতে রাইট শেয়ার বা রিপিট পাবলিক অফারের (আরপিও) আবেদন করতে পারবে না। ফলে নানামুখী সঙ্কটের মুখেও পড়েছে কোম্পানিগুলো।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে রয়েছে এমন কোম্পানির মধ্যে ব্যাংকিং খাতের সংখ্যাই বেশি। এ খাতে ৩০ শতাংশের নিচে থাকা কোম্পানির সংখ্যা মোট ৫টি। ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক।

বীমা খাতে ৩ টি কোম্পানির সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে রয়েছে- বিজিআইসি, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা লাইফ ইন্সুরেন্স। তথ্য প্রযুক্তি খাতে ৩ টি কোম্পানির শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- ইনটেক অনলাইন, বিডিকম অনলাইন, ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়্যার। সেবা খাতে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।

খাদ্য খাতের ৩টি কোম্পানির সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে। কোম্পানিগুলো হলো- রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, ফু-ওয়াং ফুড, ফাইন ফুডস। বস্ত্র খাতের ২টি কোম্পানির সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে ম্যাকসন স্পিনিং, মেট্রো স্পিনিং।

এছাড়া অন্যান্য খাতের কোম্পানিগুলো হলো একটিভ ফাইন, অগ্নি সিস্টেমস, এপেক্স ফুটওয়্যার, বারাকা পাওয়ার, বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ফু-ওয়াং সিরামিক, মেঘনা সিমেন্ট, ফার্মা এইডস, সালভো কেমিক্যালস, বিডি ওয়েল্ডিং, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, ম্যাকসন স্পিনিং, মেট্রো স্পিনিং, কে অ্যান্ড কিউ।

প্রসঙ্গত, যেসব উদ্যোক্তা বা পরিচালক ২ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হবেন, তারা কোম্পানিতে পরিচালক হিসেবে থাকতে পারবেন না। আর যেসব কোম্পানিতে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার থাকবে না, সেসব কোম্পানি পুনরায় বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে না বলে নির্দেশনা জারি করে বিএসইসি।

এ সকল কোম্পানির মধ্যে এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৩.৯১ শতাংশ, সরকারের কাছে রয়েছে ০.৫৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫২.৮৬ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২.১৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩০.৪৭ শতাংশ শেয়ার।

আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১১.৩১ শতাংশ, সরকারের কাছে রয়েছে ৩২.৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.৪৭ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৪৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৬.০৪ শতাংশ শেয়ার।

এনসিসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৯.৬৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১০.২৯ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.১৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৯.৮৬ শতাংশ শেয়ার।

পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.০৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৪.৯৭ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৮.৯৮ শতাংশ শেয়ার।

উত্তরা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১২.৫৬ শতাংশ, সরকারের কাছে রয়েছে ০.০০২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৪.৭২ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭২.৭২ শতাংশ শেয়ার।

বিজিআইসির পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৭.১৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩০.৩০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬২.৫২ শতাংশ শেয়ার।

ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯.৬০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৬.৩০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৪.১০ শতাংশ শেয়ার।

মেঘনা লাইফের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৮.২৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৩.৮৬ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৭.৮৬ শতাংশ শেয়ার।

ইনটেক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২.৫৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮.১৪ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭৯.৩১ শতাংশ শেয়ার।

বিডিকম অনলাইনের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২১.২৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৭.০০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬১.৭১ শতাংশ শেয়ার।

ইনফরমেশন সার্ভিসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৭.৯২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০.৪৫ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬১.৬৩ শতাংশ শেয়ার।

আরডি ফুডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৭.৯২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১১.৬৭ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬০.৪১ শতাংশ শেয়ার।

ফু-ওয়াং ফুডসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৫.০০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০.০০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭৫.০০ শতাংশ শেয়ার।

ফাইন ফুডসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৩.৪৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৪৫ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৯৬.০৬ শতাংশ শেয়ার।

ম্যাকসন স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.০০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৩.০০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬১.০০ শতাংশ শেয়ার।

মেট্রো স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৬.০০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.০০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৫.০০ শতাংশ শেয়ার।

একটিভ ফাইনের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১২.০২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৫.৮৭ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬২.১১ শতাংশ শেয়ার।

অগ্নি সিস্টেমসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৯.৩৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৯.৭১ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬০.৯০ শতাংশ শেয়ার।

এপেক্স ফুটওয়্যারের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২১.৮৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩২.০৮ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩.৬৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪২.৪৩ শতাংশ শেয়ার।

বারাকা পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৭.৯১ শতাংশ,প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮.৪৮ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৩.৬১ শতাংশ শেয়ার।

বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯.৯১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬.০৮ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১০.২২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৩.৭৯ শতাংশ শেয়ার।

বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৩.১৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.২১ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৫.২৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৬.৩৫ শতাংশ শেয়ার।

কনফিডেন্স সিমেন্টের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৩.৪৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৯.১০ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪৭.৪৩ শতাংশ শেয়ার।

ফু-ওয়াং সিরামিকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ১৯.৩৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৮.৩৯ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫২.২৪ শতাংশ শেয়ার।

ফার্মা এইডসের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৮.৪৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬.০৭ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৫.৪৯ শতাংশ শেয়ার।

সালভো কেমিক্যালের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২২.৬৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৮.২৮ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৯.০৩ শতাংশ শেয়ার।

ইউনাইটেড এয়াওয়েজের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৮.৪৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.৬২ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭১.৯৪ শতাংশ শেয়ার।

বিডি ওয়েল্ডিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৭.৯৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৮.৭৭ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৩.২৮ শতাংশ শেয়ার।

লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৪.৫৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬.১২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২.১৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৭.২৮ শতাংশ শেয়ার।

কে অ্যান্ড কিউয়ের পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ২৫.৪২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫.১১ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬০.৪১ শতাংশ শেয়ার।

এছাড়াও কোম্পানিগুলো পরিচালকদের সর্বনিম্ন ২ শতাংশ শেয়ার ধারণ করার কথা বলা হলেও তা পরিপালন করছে না তারা। এসব কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে কি ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সে ধরণের কোনো নির্দেশনা দেয়নি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এ বিষয়ে বিএসইসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি কমিশনের নজরে রয়েছে। যেসব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করেনি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া যারা এ আইন মানছে না কমিশন তাদের মূলধন বাড়ানোর অনুমোদনও দিচ্ছে না।

মুস্তাফিজুর রহমান

Leave A Reply